সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

নেতারা বললেন আন্দোলনে ওঠা-নামা আছে

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

সংবিধান মেনে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চায় আওয়ামী লীগ। সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীনরা। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সব ধরনের নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। পাশাপাশি সংসদ বিলুপ্ত, সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনসহ ১০ দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলন করছে দলটি। গত ডিসেম্বর থেকে সমমনা দলগুলো নিয়ে তাদের এ আন্দোলন চলছে। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজপথেই সমাধান দেখছে বিএনপি।

চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতে দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও চূড়ান্ত আন্দলনের এখনো রূপরেখা দিতে পারেনি বিএনপি। গত ডিসেম্বরে আন্দোলনের যে গতি ছিল, তাও দিন দিন ভাটা পড়েছে। নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা কমেছে, তাদের মাঝে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা গেছে। আন্দোলন কবে মাঠে গড়াবে তাও বলতে পারছে না দলটি। যদিও তারা অভিন্ন যৌথ আন্দোলনের রূপরেখা তৈরিতে সমমনাদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করছে। তবে এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি বলে জানা গেছে।

সব মিলে বিএনপির আন্দোলনে আপাতত ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে খুব দ্রুতই আন্দোলনের দানা বেঁধে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিএনপি। ডিসেম্বরের থেকেও জোরালো ও কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে। আন্দোলনে সরকারের পতন ও তত্ত্বাবধারক সরকার প্রতিষ্ঠা হবে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।

বিএনপির সাংগাঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ্ প্রিন্স বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আন্দোলনের জোয়ার একেক সময় একেক রকম তৈরি হয়। ডিসেম্বরের একটা জোয়ার তৈরি হয়েছিলো। সেই আন্দোলন ধ্বংস করার জন্য সরকার সারাদেশে আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা, নির্যাতন, মামলা, গ্রেপ্তার করে। কেন্দ্রীয় কার্যালয় দখল করে নেয়। তারপরও আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি। জোরালো আন্দোলন তৈরি হবে। আগের থেকেও আরো জারালো, সেটা খুব দ্রুতই হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আছে। নির্বাচন নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করেছে তারা। সমাধানও তাদের করতে হবে। এখানে সংবিধান কোনো বাধা নয়। আওয়ামী লীগ যদি একটা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে চায় তাহলে সংবিধান কোনো বাধা না। আওয়ামী লীগের সদিচ্ছা দরকার। দলীয় সরকারের অধিনে বাংলাদেশে আর সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না বলে মনে করেন তিনি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আন্দোলন সমান তালে চলে না। উঠা-নামা করে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ চলেছে ৯ মাস, তখনও ওঠা-নামা করেছে। আগামী দিনেও সঠিক পথে আন্দোলন চলবে। আন্দোলনের ধীরগতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নাই।

তিনি বলেন, যে সংবিধান মেনে নির্বাচনের কথা বলছে সরকার, সেই সংবিধান হচ্ছে আওয়ামী লীগের সংবিধান। এটা জাতীয় সংবিধান না। জাতীয় সংবিধানে কেয়ারটেকার সরকার ছিলো। এ সংবিধানের অধিনে বৈধ কোনো নির্বাচন হতে পারে না।

শনিবার নয়াপল্টানের এক বিক্ষোভ সমাবেশ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। আওয়ামী লীগের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, আপনারা মানুষের চোখের ভাষা বুঝতে শিখুন। যদি সেইফ এক্সিট চান, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে দিন। দেশের দিকে শুধু প্রাকৃতিক ঝড়ই বয়ে আসছে না, রাজনৈতিক ঝড়ও আসছে।

এসময় চার দিনের নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, আগামী ১৯ মে ঢাকা মহানগর উত্তরসহ ২৮জেলায় ও মহানগরে জন সমাবেশ। ২০ মে ঢাকা মহানগর দক্ষিণসহ ২১ জেলা ও মহানগর জন সমাবেশ। ২৬ মে ঢাকা উত্তর মহানগরসহ ১৯ জেলা ও মহানগর জন সমাবেশ এবং ২৭ মে ঢাকা দক্ষিণ মহানগরসহ ১৫ জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে জন সমাবেশের ঘোষণা করেছে দলটি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: