![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, এই বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের শুরুতে নির্বাচন হবে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। আপনি এবং আপনার দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করবেন কিনা তা ভেবে দেখতে পারে। কিন্তু আপনার অধীনে এ দেশে কোন নির্বাচন হবে না।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপার্সন ‘খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে’ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি আয়োজন করে ইয়ুথ ফোরাম।
দুদু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ভয় পাইছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ঠেকানোর জন্য বিদেশ সফর শুরু করেছেন। কিন্তু কোনো লাভ হবে না।
তিনি বলেন, দেশ আজ ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে। দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। জাতীয় সংসদ থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত নির্বাচন ব্যবস্থায় ধ্বংস হয়েছে। সকল পেশাজীবী সংগঠনের স্বাভাবিকভাবে নির্বাচন হয় না, এমনকি মসজিদ কমিটি নির্বাচনের দলীয়করণ হয়।
বিএনপি যুগ্নমহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বলেন, আওয়ামী লীগ জোড় করে ক্ষমতা দখল করে জনগণের উপর জগদ্দল পাথরের উপর চেপে বসেছে। দেশে গণতন্ত্র নাই, ভোটাধিকার নাই, মানুষের বাক স্বাধীনতা নাই। বিরোধী দলকে নিচিহ্ন করার জন্য সব ধরণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, ফোরামের উপদেষ্টা এম নাজমুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাংগাঠনিক সম্পাদক লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, কৃষকদরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয়াতাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি আমির হোসেন বাদসা, মৎসজীবি দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সারাজী, দেশ বাঁচাও-মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপন। সঞ্চলনায় ছিলেন শরিফুল ইসলাম শরিফ।