![]()


ধ’র্ষণ ও প্রতারণার অ’ভিযোগে মো. রানা মিয়া (২৮) নামে এক পু’লিশ কনস্টেবলের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেছেন তার প্রে’মিকা।
রানা ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজে’লার অচিন্তপুর ইউনিয়নে খালিজুরী গ্রামের মো. মজনু মিয়ার ছে’লে।
তিনি বর্তমানে নরসিংদীর পলা’শ থা’নায় পু’লিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্ম’রত। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ভুক্তভোগী কলেজছা’ত্রীর বাবা বাদী হয়ে গৌরীপুর থা’নায় মা’মলা’টি দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী কলেজছা’ত্রীর বাড়িও একই উপজে’লায়। তিনি ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
ওই কলেজছা’ত্রীর অ’ভিযোগ, তিন বছর ধরে রানার সঙ্গে তার প্রে’মের স’ম্পর্ক রয়েছে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রানা তার সঙ্গে শারীরিক স’ম্পর্ক গড়েছেন। তারা দু’জন আ’পত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আ’ট’কও হন। কিন্তু অবস্থা বেগতিক দেখে প্রে’মিকাকে ফেলে কৌশলে পালিয়ে যান রানা। এ ঘটনায় গত দুইদিন বিয়ের দাবিতে প্রে’মিকের বাড়িতে গিয়ে অনশন করেন ভুক্তভোগী মে’য়েটি। কিন্তু প্রে’মিক রানার পরিবার তাকে মেনে নিতে নারাজ। এমন পরিস্থিতিতে আত্মহ’ত্যারও হু’মকি দেন ওই প্রে’মিকা। কিন্তু এত কিছুর পরও বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় পু’লিশ কনস্টেবল রানার বি’রুদ্ধে মা’মলা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে একাধিকবার মো. রানা মিয়ার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ নিয়ে তার পরিবারের কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গৌরীপুর থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) খান আব্দুল হালিম সিদ্দীকী’ বলেন, ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে থা’নায় মা’মলা হয়েছে। ভিকটিমের মেডিক্যাল রিপোর্টের জন্য আ’দালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানো হয়েছে।