![]()


বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ছোট ভাইকে হ’ত্যা দায় ১২ বছরের শি’শু সৌরভের ঘাড়ে চাপানোর ঘটনায় হাই’কোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন সারিয়াকান্দি থা’নার পু’লিশের উপ-পরিদর্শক নয়ন কুমা’র।
রোববার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাই’কোর্ট বেঞ্চে হাজির হয়ে নয়ন কুমা’র ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তবে আ’দালত তার ক্ষমা’র আবেদনের বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি।
এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। এ সময় পিবিআইয়ের বগুড়ার উপ-পরিদর্শক মনসুর আলী আ’দালতে হাজির ছিলেন।
আ’দালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্ম’দ শিশির মনির। অ’পরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সরোয়ার হোসেন বাপ্পী।
এর আগে, গত ১০ আগস্ট বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ছোট ভাই হ’ত্যার দায় ১২ বছরের শি’শু বড় ভাই সৌরভের ঘাড়ে চাপানোর ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে দুই ত’দন্ত কর্মক’র্তাকে হাজির হতে নির্দেশ দেন হাই’কোর্ট। তারা হলেন পু’লিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআইয়ের) বগুড়ার উপ-পরিদর্শক মনসুর আলী ও ওই মা’মলায় প্রথম চার্জশিট দেওয়া সারিয়াকান্দি থা’নার উপ-পরিদর্শক নয়ন কুমা’র।
এ মা’মলার প্রয়োজনীয় নথি সহ তাদেরকে আ’দালতে হাজির হতে বলা হয়েছিল।
এর আগে, গত ২৯ জুন তাদেরকে হাজির হতে ৩ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেন। কিন্তু ওইদিন করো’নার কারণে আ’দালত বন্ধ থাকায় শুনানি হয়নি।
গত ২০ জুন বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ছোট ভাই হ’ত্যার দায় বড় ভাই সৌরভের ঘাড়ে চাপানোর ঘটনায় আ’দালত বলেছিলেন, এমন ঘটন যদি সত্যি হয়ে থাকে এটা হবে দেশের জন্য অ’ত্যন্ত দুঃখজনক।
‘পু’লিশের ভুলে ১২ বছরের শি’শুর ঘাড়ে ছোট ভাই হ’ত্যার দায়’ শিরোনামে একটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদ যু’ক্ত করে হাই’কোর্টে আবেদন করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. শিশির মনির।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সাল থেকে ছোট ভাইকে হ’ত্যার দায় নিয়ে ঘুরতে হচ্ছে ১২ বছর বয়সী বড় ভাইকে। ওই বছরের ২৫ আগস্ট বগুড়ার কা’টাখালি গ্রামের একটি পাটখেত থেকে উ’দ্ধার করা হয় মহিদুল ইস’লামের ছে’লে সোহাগের ম’রদেহ। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে পু’লিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় বড় ভাই সৌরভকে। জো’র করে হ’ত্যার স্বীকারোক্তিও নেয়া হয়।