![]()



সিলেট বিভাগে করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত হয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে মৃ’তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৫২ জনে। একই সময়ে সিলেট বিভাগে করো’নাভাই’রাস শনাক্ত করা হয়েছে আরও ১১৩ জনের শরীরে। এছাড়া এই চব্বিশ ঘণ্টায় সিলেটে হাসপাতা’লে ও বাড়ি চিকিৎসাধীন আরও ১০৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
মঙ্গলবার (২২ জুন) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া স্বাক্ষরিত কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ জনের দেহে করো’নাভাই’রাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। এদের নিয়ে সিলেট বিভাগে মোট করো’না প্রমাণিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪ হাজার ৪০৫ জনে। যাদের মধ্যে সিলেট জে’লায় ১৬ হাজার ১৬৫ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৮৯৭ জন, হবিগঞ্জ জে’লায় ২ হাজার ৫৯২ জন ও মৌলভীবাজারে ২ হাজার ৭৬০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে শনাক্ত হওয়া ১১৩ জন করো’না আ’ক্রান্ত রোগীর ৫৯ জনই সিলেট জে’লার বাসিন্দা। এছাড়া বিভাগে সুনামগঞ্জ জে’লার ৭ জন, হবিগঞ্জের ৫ জন ও মৌলভীবাজার জে’লার বাসিন্দা ১৮ জন। এদিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন আরও ২৪ জনের শরীরে করো’নার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
একইদিনে সিলেট বিভাগে নতুন করে আরও ১০৩ জন করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। যাদের ৬৩ জন সিলেট জে’লার, সুনামগঞ্জে ৪ জন, ২ জন হবিগঞ্জে ও ৩৪ জন মৌলভীবাজার জে’লার বাসিন্দা। এনিয়ে বিভাগে করো’না থেকে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৬৫৪ জন। যাদের মধ্যে সিলেট জে’লায় ১৫ হাজার ৩৬৯ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৭৯০ জন, হবিগঞ্জ জে’লায় ২ হাজার ৯০ জন ও মৌলভীবাজারে ২ হাজার ৫০৫ জন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যুবরণ করেছেন ৩ জন রোগী। যাদের ২ জন সিলেট জে’লার ও ১ জন হবিগঞ্জ জে’লার বাসিন্দা। এনিয়ে বিভাগে মৃ’ত্যুবরণ করা মোট রোগীর সংখ্যা ৪৫২জন। এর মধ্যে সিলেট জে’লার ৩৭০ জন, সুনামগঞ্জে ৩০ জন, হবিগঞ্জে ১৯ জন এবং মৌলভীবাজারের ৩৩ জন।
এদিকে সিলেটের চার জে’লা মিলে ২৪৭ জন করো’না আ’ক্রান্ত রোগী হাসপাতা’লে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যাদের ২৩৫ জনই সিলেট জে’লার বিভিন্ন হাসপাতা’লে, সুনামগঞ্জে ৭ জন, হবিগঞ্জে ২ জন ও মৌলভীবাজারে ৩ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া গত চব্বিশ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ৪৪ জনকে নতুন করে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।