![]()


বদর উদ্দিন কামরানের মৃত্যুতে তার বাসায় সহমর্মিতা প্রকাশ করতে তার বাসায় ছুটে গিয়েছিলেন বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি সেখানে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
তিনি বলেন, সকালে যখন আমার মোবাইলে ফোন করে তার মৃত্যু সংবাদ দেওয়া হয়েছিল আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল।
যিনি ফোন করেছিলেন ঐ ভদ্রলোককে আমি গালমন্দ করে বলেছি সব কিছু নিয়ে মজা করা উচিৎ নয়। উনার সাথে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক।
আমার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর উনি ফোন করে আমাকে বলেছিলেন ভাই আপনি বেশী বের হবেননা আমরা তো ডায়াবেটিসের রোগী। কথা বলার সময় মেয়র আরিফের গলা ধরে আসছিল।
তিনি বলেন, আমি সকালে শিপলুর সাথে কথা বলেছি। আমার ভাই আর নেই। তিনি সদালাপি ছিলেন। আমি তার মৃত্যুতে শোকাহত।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সোমবার (১৫ জুন) ভোর ৩ টার দিকে তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কামরানের ব্যক্তিগত সহকারি বদরুল ইসলাম বলেন, প্লাজমা থেরাপি দেওয়ার পর স্যার (কামরান) অনেকটা ভালো বোধ করছিলেন। তার অবস্থারও উন্নতি হচ্ছিলো। তবে রোববার মধ্যরাত থেকে হঠাৎ তার অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বুকে ব্যাথা অনুভব করছিলেন। এরপর ভোরের দিকে মারা যান।
এর আগে গত ৫ জুন শুক্রবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন সিলেট সিটি করপোরেশনের টানা দুইবারের মেয়র কামরান। পরদিন তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এরপর তার শরীর আরও খারাপ হলে ৭ জুন এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৮ জুন কামরানের শরীরে প্লাজমা থেরাপিও দেওয়া হয়েছিলো।
তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে সোমবার ভোরে মারা যান সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক এই সভাপতি।
এর আগে গত ২৭ মে কামরানের স্ত্রী আসমা কামরানেরও করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। তিনি অনেকটা সুস্থ রয়েছেন এবং বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।