![]()


সিলেট নগরীর জালালাবাদ পার্ক আবারও জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে এবার ‘জালালাবাদ সিটি পার্ক’ নামে নতুন রূপে যাত্রা শুরু করবে পার্কটি। নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
শিশুদের খেলাধুলা ও বয়স্কদের হাঁটাচলার উপযোগী করে পার্কটি গড়ে তোলার পাশাপাশি এর সীমানাপ্রাচীরও সংস্কার করা হবে। সোমবার সরেজমিনে পার্কটি পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এ সময় তিনি দ্রুত পার্কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার কথা জানান।
সিসিক প্রশাসক বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে পার্কটি শিশুদের খেলাধুলা ও বয়স্কদের হাঁটাচলার উপযোগী করা হবে। পাশাপাশি পার্কটিকে দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলা হবে, যাতে নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে এখানে সময় কাটাতে পারেন।
তিনি বলেন, পার্কের বর্তমান গেট ও সীমানাপ্রাচীর এমনভাবে নির্মিত যে বাইরে থেকে ভেতরের সৌন্দর্য দেখা যায় না। তাই সীমানাপ্রাচীর সংস্কার করে এমনভাবে সাজানো হবে, যাতে বাইরে থেকেও পার্কের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
পার্কের নিরাপত্তায় সিসিকের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত থাকবেন এবং তাঁরা পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানান তিনি।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, জালালাবাদ সিটি পার্কটি সার্কিট হাউস, কিনব্রিজ, সুরমা নদী ও আলী আমজদের ঘড়ির কাছাকাছি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত। সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে পার্কটিকে নগরবাসীর পাশাপাশি সিলেটে আসা পর্যটকদের জন্যও আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব হবে। পার্কটি সিলেটের একটি সাংস্কৃতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, নির্বাহী প্রকৌশলী (পানি) এনামুল হক তাপাদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।-বিজ্ঞপ্তি