![]()



সিলেট শহরতলীর আখালিয়া এলাকায় আল-আমিন (১৬) নামে এক কি’শোরকে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মা’রধরের অ’ভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আবদুল কুদ্দুস নামে এক ব্যক্তির বি’রুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২২মে) সন্ধ্যার দিকে আখালিয়া বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এলাকায়।
আল-আমিনের বাবা আব্দুস শহিদ বলেন, আমা’র ছে’লে ৩শ টাকা রোজে গত তিন মাস ধরে আখালিয়া এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের টমটম (ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা) চালাতো। ৩শ টাকা রোজ দিতে সে অ’পারগতা জানায়। গতকাল শনিবার বিকেলের দিকে গাড়ি গ্যারেজে বন্ধ করে আসার সময় মালিক (আব্দুল কুদ্দুসকে) সব কিছু বুঝিয়ে বলে ৩শ টাকা দিয়ে গাড়ি চালাতে পারবো না। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কা’টাকাটি হয়। পরে সে আমাকে কল দিলে বলে আব্বা আমি গাড়ি বুঝিয়ে দিয়েছি। আমিও তাকে বলি বাসায় চলে আসার জন্য। সে বাসায় চলে আসে।সন্ধ্যার দিকে আবার তাকে গাড়ির মালিক ফোন দিয়ে নিয়ে যায়। বিজিবি স্কুলে নিয়ে সেখানে তাকে হাতপা বেধে অমানবিক নি’র্যা’তন করেছে। পরে ৯৯৯ কল দিলে জালালাবাদ থা’নার পু’লিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উ’দ্ধার করে।
পু’লিশের কাছে লিখিত অ’ভিযোগ দিয়েছেন কি না জানতে চাইলে আব্দুস শহিদ বলেন, আমি গরিব মানুষ। এই জায়গায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকি। ওই জায়গার পঞ্চায়েতের লোকজন বিষয়টি দেখে দিবেন বলে অ’ভিযোগ না দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তাই আমি আর পু’লিশের কাছে অ’ভিযোগ দেইনি।
বর্তমানে আল-আমিনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পু’লিশের জালালাবাদ থা’নার ওসি নাজমুল হুদা খান বলেন, গতকাল ৯৯৯ কল আসলে আমি ঘটনাস্থলে আমাদের একটা টিম পাঠাই। ওই কি’শোরকে পু’লিশ উ’দ্ধার করে হাসপাতা’লে পাঠায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবাকে লিখিত অ’ভিযোগ দেওয়ার জন্য বলা হলে তিনি বলেন,স্থানীয় ভাবে তারা বিষয়টি মীমাংসা করেছেন।