![]()


সারাদেশের ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। শুরু হয়ে গেছে কমিউনিটি সংক্রমণ। এর বিস্তার রোধে নামাজীদের দলবেঁধে মসজিদে যেতে নিষেধ করে জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিষয়টি সাধারণ মানুষকে জানিয়ে দিতে সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। আজ সোমবার বিকেলে নগরীর কুমারপাড়াসহ বিভিন্ন মসজিদ থেকে একই ধরনের নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করা হয়।
কুমারপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মাইকিং করে ঘোষণা দেন, আজ সোমবার আছরের নামাজ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সবাইকে ঘরে নামাজ পরার জন্য আহবান জানানো হচ্ছে। তবে মসজিদে যথা নিয়মে আযান হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া আসরের নামাজের পর নগরীর নয়াসড়ক, চারাদিঘিরপাড় জামে মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে এমন ঘোষণা দিতে শোনা যায়।
এসময় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকার পাশাপাশি সরকারি সকল নির্দেশনা মেনে চলারও আহ্বান জানানো হয়।
এদিকে আজ সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা জরুরি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ অনধিক পাঁচ জন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। বাইরের মুসল্লি মসজিদে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।
ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, ভয়ানক করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদের ক্ষেত্রে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা ছাড়া অন্য সব মুসল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসায় নামাজ আদায় করতে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। জুমার জামাতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ অনধিক পাঁচ জন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। বাইরের মুসল্লি মসজিদে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) হিসাবে, সব মিলিয়ে দেশে এখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১২৩ জন। এর মধ্যে ঢাকা জেলার ৬৪ জন। সরকারের হিসাবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১২ জন।