![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
চট্টগ্রাম বন্দরে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ বা ইউজড কার পার্টস আমদানির ঘোষণা দিয়ে কনটেইনারের আড়ালে বিএমডব্লিউ স্পোর্টস কার, বিলাসবহুল গাড়ির অর্ধাংশ ও ইসুজু ট্রাক আনার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুল্ক ফাঁকির এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের হালিশহরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স আয়াজ অটো ইন্টারন্যাশনাল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আরব জাপান ইউজড কারস অ্যান্ড স্পেয়ার পার্টস কোম্পানি’ থেকে চালানটি আমদানি করে। এর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ছিল চট্টগ্রামের ‘আমিন সিঅ্যান্ডএফ (প্রাইভেট) লিমিটেড’।
বিলে সাধারণ গাড়ির যন্ত্রাংশের ঘোষণা থাকলেও কায়িক পরীক্ষায় কনটেইনার থেকে সম্পূর্ণ নকডাউন (সিকেডি) অবস্থায় দুই আসনের একটি বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি ২০০৯ সালের মডেলের ‘এস ড্রাইভ ২৩আই’, যার ইঞ্জিন ক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি। একই সঙ্গে এই চালানে ২০১৬ মডেলের ৩০০০ সিসির বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ ৭৪০আই গাড়ির শুধু সামনের অংশ বা হাফ-কাট এবং ঘোষণা- বহির্ভূতভাবে আনা পাঁচটি হাফ-কাট ইসুজু ট্রাক পাওয়া যায়। এসব ট্রাকের কেবিনের ভেতর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ লুকিয়ে রাখা ছিল।
কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর সন্দেহ করছে, শুল্ক ফাঁকি দিতে সংঘবদ্ধ কোনো চক্র আলাদা চালানে গাড়ির খণ্ডিত অংশ এনে পরে দেশে তা পুনঃসংযোজন করার কৌশল নিয়েছে। বিশেষ করে বিএমডব্লিউ ৭৪০আই গাড়িটির বাকি অংশ অন্য কোনো চালানে আনা হয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে পণ্যের বিস্তারিত ইনভেন্টরি ও শুল্ক-কর যাচাই শেষে ‘কাস্টমস অ্যাক্ট, ২০২৩’ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।