সর্বশেষ আপডেট : ৪১ মিনিট ৬ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা এরই মধ্যে প্রায় ৮৮ শতাংশ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ১২ শতাংশও দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে জনগণের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে মানুষের কষ্টে আমরা সমব্যথী।’ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, নষ্ট হওয়া একটি এফএসআরইউ মেরামতের পরও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৮ শতাংশ সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১২ শতাংশও দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বর্তমানে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটও পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে নেই।

বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য কয়লাবাহী লাইটারেজ আনা যাচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কয়লা সরবরাহ সহজ হবে। তখন পায়রা ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরতে পারবে।

পায়রা ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হওয়া এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে বিদ্যুৎ খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে জানান তিনি। এতে শিল্পকারখানা ও গৃহস্থালি পর্যায়ে বিদ্যুতের ভোগান্তি কমবে।

অতিবৃষ্টির কারণে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রেও কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের পর থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা করছে সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের এক বিলিয়ন ডলার অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ-সংক্রান্ত চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রুড অয়েল পরিশোধন সক্ষমতা তিন গুণ বাড়বে বলে জানান তিনি। বছরে প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার ৫০ শতাংশের বেশি মেটানো সম্ভব হবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রকল্পটি।

ডিপিপি অনুযায়ী, ২০৩০ সালে প্রকল্পটি চালুর কথা রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: