সর্বশেষ আপডেট : ১৮ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তিস্তার পানি বৃদ্ধি, ডালিয়া পয়েন্টে খোলা হলো ৪৪টি জলকপাট

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে আবারও তিস্তা নদীর পানি বেড়ে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানির চাপ সামাল দিতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের তিস্তা নদীর পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম বলছেন, “সোমবার সকাল ৯টায় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১০ মিটার।

“এটি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।”

একই দিন সকাল ৬টায়ও পানির উচ্চতা একই পর্যায়ে ছিল বলে জানান তিনি।

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলছেন, “তিস্তা নদীর পানি বেড়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরও বাড়তে পারে।

“পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।”

এর আগে গত ১৩ জুলাই রাত ১০টায় তিস্তা নদীর পানির সমতল বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে, অর্থাৎ ৫২ দশমিক ২৫ মিটারে পৌঁছেছিল।

টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছচাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

সেই বন্যার পানি পুরোপুরি না নামতেই আবারও তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। উজান থেকে নতুন করে পানি বাড়তে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে ওই সব এলাকার জমি ও বীজতলা এখনও পানিতে তলিয়ে থাকায় আমনের চারা রোপনে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না কৃষকরা।

ডিমলা উপজেলার তিস্তাপাড়ের বাইশপুকুর গ্রামের কৃষক শাহজাহান আলী বলছিলেন, “আমন আমাদের প্রধান ফসল। তাই পানি নেমে গেলেই দিন-রাত কাজ করে চারা রোপণ শেষ করবো। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে কিছু জমি নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে।”

একই গ্রামের কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, “শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু জমিতে অতিরিক্ত কাদা ও পানি থাকায় তারা কাজ করতে পারছেন না। এতে সময়ের সঙ্গে খরচও বাড়ছে।”

টেপাখড়িবাড়ি চরখাড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল রাজ্জাক বলেছেন, “বীজতলায় চারা ভালো হয়েছে। কিন্তু কিছুদিন পর পর তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ও জমিতে পানি থাকায় রোপণ শুরু করতে পারছি না।

“তবে অগাস্ট মাসের মধ্য পর্যন্ত সময় রয়েছে। ততদিন যদি পানি কমে আসে….।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: