![]()

cialis fiyat cialis sipariş http://umraniyetip.org/
Fapperman.com DoEscortscialis viagra viagra cialis cialis viagra cialis20mgsite.com geciktirici sprey azdırıcı damla

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারে অবস্থিত দূতাবাস ২০২৬ সালের মধ্যেই তুলে দেবে ফিনল্যান্ড।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, তারা ‘কার্যক্রমগত ও কৌশলগত কারণ’ বিবেচনায় ওই তিন দেশে দূতাবাস রাখতে চায় না। খবর আরব নিউজের।
শনিবার ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ইসলামাবাদ, কাবুল এবং ইয়াংগনের দূতাবাস ২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দেশগুলোর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং ফিনল্যান্ডের সঙ্গে তাদের সীমিত বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কই এর কারণ। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের ডিক্রির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় আরও জানায়, তিন দেশেই দূতাবাস বন্ধ করার প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু করা হয়েছে।
ফিনল্যান্ড সরকার বিশ্বব্যাপী তাদের কূটনৈতিক অবস্থান ঝালিয়ে নিতে চাইছে। পাকিস্তান-সহ তিন দেশে দূতাবাস বন্ধ তাদের এই কূটনৈতিক পরিকল্পনারই অংশ।
ফিনল্যান্ডের লক্ষ্য, তাদের জন্য যেসব দেশ কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে সম্পদ কেন্দ্রীভূত করা।
ফিনল্যান্ড মনে করে যে, এমন দেশগুলোতে দূতাবাস রাখা সম্পদের অপচয়, যেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা নগণ্য।
আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে দেশটিতে অস্থিরতা বেড়েছে। সেখানে বিনিয়োগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে এবং নিরাপত্তা অনেক বেশি দুর্বল হওয়ায় বিদেশি কূটনীতিকদের সেখানে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মিয়ানমারে সেনাবাহিনী কর্তৃত্ববাদী শাসন চালিয়ে যাচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সামরিক-বেসামরিক সংঘাত সেখানে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
পাকিস্তানের ক্ষেত্রে, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক মন্দা এবং সন্ত্রাসী হামলা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তিন দেশেরই গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল এবং বিদেশি বিনিয়োগ অনিশ্চিত। ফিনল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কও ন্যূনতম।
এমন অস্থির দেশে দূতাবাস রাখা বুদ্ধিমানের কাজ কিনা এমন প্রশ্ন ওঠার পর দীর্ঘ আলোচনা সাপেক্ষেই তিনটি দেশে দূতাবাস বন্ধ করার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিনল্যান্ড। তিন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়তে পারে।