![]()


স্টাফ রিপোর্টার ::
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রথম কাজ স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করা। সে লক্ষ্যে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ক্রিয়েটিভ, ইনোভেটিব, প্রবলেম সলভার তথা ফিউচার স্মার্ট সিটিজেন হিসেবে তৈরি করতে ইতিমধ্যে সারাদেশে ১৩ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। সুতরাং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দরকার শেখ হাসিনার প্রতি জনগণের আস্থা।
বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক এলাকায় ‘নলেজ পার্ক’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে (ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে) সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক এমপি ।
মন্ত্রী ইমরান বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের চারটি শক্তিশালী ভিত্তি প্রয়োজন। আর তা হচ্ছে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট। যা নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে স্কুল পর্যায়ে ৩০০ ‘স্কুল অব ফিউচার’ স্থাপন করা হয়েছে। নতুন করে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় আরো ১০ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব নির্মাণ করা হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে আরো ১ হাজার স্কুল অব ফিউচার বা স্মার্ট স্কুল স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে শিক্ষার্থীরা রোবটিক্স, লেগো, ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নিজেদের তৈরি করতে পারবে।
বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কতৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনডিসি জি এস এম জাফর উল্লাহ’র স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মোস্তফা কামাল, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্র্যাট শেখ রাসেল হাসান, সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ সেলিম, ভারতের সহকারী হাইকমিশনার নীরাজ কুমার জয়সওয়াল, জেলা পর্যায়ে ১২টি হাই -টেক পার্ক স্থাপন প্রকল্প পরিচালক এ.কে.এ.এম ফজলুল হক প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্য প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলক বলেন, ২ দশমিক ৮৫ একর জায়গায় পার্কটির নির্মাণব্যয় হবে প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা । যেখানে প্রতি বছর ৩ হাজার তরুণ তরুণী সরাসরি প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে। ১ হাজার তরুণ তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পার্কটেতে একটি সিনেপ্লেক্স ও একটি ডরমিটরি নির্মাণ করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্টার্টআপ বিজনেস শুরুর সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহমদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুসি কান্ত হাজং, গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফজলুল হক, গোয়াইনঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাহিদুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হিল্লোল রায়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী সাধারন সম্পাদক ও সিলেট জেলা পরিষদ সদস্য আপ্তাব আলী কালা, সিলেট জেলা পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য তামান্না নাজমুল হেনা, সিলেট জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক জয়নাল আবেদীন, গোয়াইনঘাট আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নন্দীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস কামরুল হাসান আমিরুল, দক্ষিণ রণীখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন এমাদ প্রমুখ।