![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
চলতি মাসের ১২ আগস্ট শেষ হচ্ছে পাকিস্তান সরকারের মেয়াদ। তার আগেই পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার তারিখ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সংবিধান অনুসারে, সংসদ ভেঙে দেয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা পেছানো ইঙ্গিত দিয়েছেন পাকিস্তানের আইনমন্ত্রী আজম নাজির।
শনিবার দেশটির সংবাদমাধ্য জিও নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ভোটার তালিকা এখনও হালনাগাদ হয়নি। আদমশুমারির মাধ্যমে এটি (হালানাগাদ) করতে হবে। শুমারি শেষে নতুন ভোটার তালিকা তৈরিতে সময় লাগবে অন্তত ৪ থেকে ৫ মাস।
তাছাড়া কোন সাংবিধানিক আসনের আয়তন কতখানি হবে, সেটিও নির্ভর করছে নতুন ভোটার তালিকার ওপর। তালিকা হাতে পেলে আসনগুলোর আয়তন পুনর্বিন্যাস করতে হবে। সেখানেও অন্তত দেড় থেকে দু’ মাস সময় প্রয়োজন।
তবে নির্বাচন পেছানো নিয়ে ক্ষমতাসীন জোটের মধ্যে মতবিরোধ দেখা গেছে। জোটের শরিক মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি ২০২৩ সালের ডিজিটাল জনশুমারির বিরোধীতা করেছে। তারা ২০১৭ সালের জনশুমারি অনুসারে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়েছে।