![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের নির্বাচন কমিশন (ইসি) আহ্বান জানালে নিবন্ধন পেতে শর্ত মেনে আবেদন করেছিল বাংলাদেশ জাতীয় দল। কিন্তু ইসির শর্ত পূরণ করা এবং সকল যোগ্যতা থাকা স্বত্ত্বেও বাংলাদেশ জাতীয় দলের নিবন্ধন আবেদন অত্যন্ত অযৌক্তিকভাবে প্রত্যাখাত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা।
এমতাবস্থায় ৪০টি দলের মধ্যে অন্য ১২টি রাজনৈতিক দল কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন পাচ্ছে সে বিষয়ে পরিষ্কার করতে ইসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সেইসঙ্গে নিজের দলের নিবন্ধনের বিষয়ে আদালতে যাবেন বলে জানান এহসানুল হুদা।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল আহাদ, সারোয়ার আলম, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট লুৎফুল হাবিব লিটন, জিয়াউল হক জিয়া ও প্রচার সম্পাদক বেলায়েত হোসেন শামীমসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, দলের নিবন্ধন পাওয়ার তিনটি শর্তের মধ্যে আমরা দ্বিতীয় শর্ত (আ) ধারা অনুযায়ী আবেদন করি। যে শর্তের মধ্যে উল্লেখ আছে যে, বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর হতে দরখাস্ত দাখিল করার তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে যেকোনো একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত নির্বাচিত এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার শতকরা পাঁচ ভাগ ভোট লাভের সমর্থনে কমিশন কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যয়ন পত্র দিতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ সিরাজুল হুদা ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে তৎকালীন ময়মনসিংহ-২৩ বর্তমানে কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে খেজুর গাছ মার্কা প্রতীকে নির্বাচন করে প্রদত্ত ভোটের ১২ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পান।
হুদা বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রাপ্ত হয়ে প্রদত্ত ভোটের ফলাফলের দালিলিক বিবরণ দাখিল করে কমিশনের নিকট ১২ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পাওয়ার প্রত্যয়নপত্রের জন্য আবেদন করলে কমিশনপত্র মারফত জানায় কমিশনের তথ্য সংরক্ষিত না থাকায় প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা সম্ভব নয়। আমরা কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত প্রাপ্ত ভোটের যে তালিকা দাখিল করলাম এটা সম্পূর্ণ এড়িয়ে গিয়ে তথ্য সংরক্ষিত নাই কথাটা বলা একেবারে অযৌক্তিক।