![]()


ময়মনসিংহের ফুলপুরের এক তরুণীর সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় সোলায়মান কবির নামে এক যুবকের। মে’য়েটির কাছে নিজেকে পরিচয় দেন তিনি সহকারী পু’লিশ সুপার (এএসপি)। বেশ কিছুদিন মেসেঞ্জারে চ্যাটিং আর মোবাইলে কথা বলায় বাড়ে সখ্যতাও। এরপর মে’য়েটির বাড়িতে একাই যান বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। তবে সেখানেই বাধে বিপত্তি। ভু’য়া এএসপি প্রমাণিত হওয়ায় ধ’রা খেয়ে তিনি এখন কারাগারে।
গতকাল মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতের বিচারক দেওয়ান মনিরুজ্জামান প্রতারক সোলায়মান কবিরকে (৩৫) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, সোমবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তরুণীর বাড়ি ফুলপুরের রূপসী এলাকা থেকে সোলায়মান কবিরকে গ্রে’প্তার করা হয়। তিনি শেরপুর জে’লার ঝিনাইগাতি উপজে’লার কুচনিপাড়া এলাকার শাহ’জাহান মিয়ার ছে’লে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফুলপুর থা’না পু’লিশের ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শেরপুর সরকারি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ুয়া তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হলে সোলায়মান নিজেকে ৪০তম বিসিএসের এএসপি হিসেবে পরিচয় দেয়। পরবর্তীতে তিনি মে’য়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে মে’য়েটি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বলে। এরপর সোমবার রাতে তিনি একাই বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে ফুলপুরের রূপসী এলাকায় আসে। সোলায়মান মে’য়ের বাবার সঙ্গে কথাবার্তা বললে তার কথায় স’ন্দেহ হয় এবং বিষয়টি আমাকে জানান।
তিনি আরও বলেন, প্রথমে মোবাইলে কথা বলে আমি নিশ্চিত হই যুবকটি প্রতারক। পরে পু’লিশ ফোর্স পাঠিয়ে তাকে থা’নায় এনে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি নিজেকে এএসপি পরিচয় দিয়ে কমপক্ষে ৩৫ থেকে ৪০ জন মে’য়ের সঙ্গে প্রে’মের স’ম্পর্ক করেছে।
ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই যুবকের নামে ফুলপুর থা’নায় প্রতারণা মা’মলা দায়ের করে পাঁচ দিনের রি’মান্ড চেয়ে মঙ্গলবার তাকে আ’দালতে পাঠানো হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।