![]()


সোমবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে নওগাঁর পোরশার মুজিবর রহমান নামে এক মৃ’ত ব্যক্তির দেহের পাশে কা’ন্নারত (৭) বছরের একটি মে’য়ের ভিডিও সন্ধ্যার পর থেকেই ফেসবুকে ভাই’রাল হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকালে ভিডিওটি জে’লা প্রশাসকের নজরে আসলে নগদ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়াও একটি মুদি দোকান করে দেয়ার আশ্বা’স প্রদান করা হয়েছে।
মুজিবরের বাড়ি পোরশা উপজে’লার নিতপুর ইউনিয়নে কলনীবাজার গ্রামে কলিমুদ্দিনের ছে’লে। তিনি পেশায় একজন ফেরিওয়ালা ছিলেন। রিকসাভ্যানে করে মেলামাইন ও সিরামিক সামগ্রী জাতীয় জিনিসপত্র বিক্রি করতেন।
মুজিবুর রহমানের স্ত্রী’ তানজিলা আখতার জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকে জ্বর ও শ্বা’সক’ষ্ট ভুগছিলেন স্বামীর। এরপর স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক, পার্শ্ববর্তী একটি ক্লিনিক চিকিৎসা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু তাতে তার শারীরিক উন্নতি না হওয়ায় পরবর্তীতে সোমবার সা’পাহার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে তাকে সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানোর পরাম’র্শ দেন চিকিৎসকরা।
এরপর দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে নিলে ভর্তি হওয়ার আগেই তার মৃ’ত্যু হয়। এ সময় বাবাকে হারিয়ে লা’শের পাশেই বসে কা’ন্না করছিল আমা’র ছোট মে’য়েটি। সেই ভিডিও পাশের একজন মানুষ ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দেন।
জে’লা প্রশাসক হারুন অর রশিদ জানান, সকালে ভিডিওটি ফেসবুকে দেখার পর আমি উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তাকে তার বাড়িতে খুঁজে বের করে পরিবারের খোঁজখবর নিতে বলি। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মৃ’ত মুজিবুর রহমানের বাড়ি খুঁজে বের করেন।
তিনি আরও বলেন, মৃ’ত ব্যক্তির পরিবারে স্ত্রী’ ছোট দুটি কন্যা সন্তান এবং ১০ বছর বয়সী একটি ছে’লে রয়েছে। পরিবারটি অসহায় এবং আয়ের অন্য কোনো উৎস না থাকায় তাৎক্ষণিক মৃ’ত ব্যক্তির স্ত্রী’ তানজিলার হাতে জে’লা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা নাজমুল হামিদ রেজা নগদ ১০ হাজার টাকা তুলে দেন। এ ছাড়াও একটি মুদি দোকান করে দেয়ার আশ্বা’স প্রদান করা হয়েছে।