সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

‘আমি মারিনি ভাই’, ভাইরাল ভিডিওতে এসআই আকবর

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান অভিযুক্ত বরখাস্ত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তারের পর জেলা পুলিশের কানাইঘাট থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এদিকে তাকে গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, কানাইঘাটের সীমান্ত এলাকার একটি জঙ্গলে স্থানীয় লোকজন সবুজ রঙের রশি দিয়ে আকবরের দুই হাত ও দুই পা বেঁধে রেখেছেন।

এ সময় এক যুবককে বলতে শোনা যায় ‘মাত্র ১০ হাজার টাকার জন্য নিরপরাধ একটা ছেলেকে মেরে ফেলেছে আকবর’। তখন আকবর বলেন ‘আমি মারিনি ভাই। আমি তারে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। আমি পালাব না। আল্লাহর দোহাই লাগে আমারে বাঁধিয়েন না’।

সোমবার (৯ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে কানাইঘাট উপজেলার ডোনা সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে হাত-পা বেঁধে পুলিশে দেয়।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুদ্দোহা জানান, রোববার রাতে আকবরকে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডোনা বস্তির পাইলট খাসিয়ারা আটক করে বাংলাদেশিদের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সোমবার দুপুর ১টার দিকে কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী ডোনা এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের কাছে তাকে তুলে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। তখন স্থানীয়রা তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

গত ১১ অক্টোবর ভোর রাতে রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করা হয়। পরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়।

রায়হান ছিনতাইকালে গণপিটুনিতে মারা গেছেন পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হলেও নিহতের পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ ছিল পুলিশ ধরে নিয়ে ফাঁড়িতে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরিবারের অভিযোগ ও মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের তদন্ত দল ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যুর সত্যতা পেয়ে জড়িত থাকায় ইনচার্জ আকবরসহ চার পুলিশকে বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করেন।

বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন- বন্দরবাজার ফাঁড়ির কনস্টেবল হারুনুর রশিদ, তৌহিদ মিয়া ও টিটু চন্দ্র দাস। প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আশেক এলাহী, এএসআই কুতুব আলী ও কনস্টেবল সজিব হোসেন। ঘটনার পর অন্য ছয়জন পুলিশ হেফাজতে থাকলেও আকবর পলাতক ছিলেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 13
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    13
    Shares

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: