![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
মনোহরদীর গ্রামে সতীনকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজ গর্ভজাত শিশু সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে মরদেহ গোপনে সতীনের বিছানায় রেখে আসার একটি নির্মম ঘটনা জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে ও হন্তা মা রহিমা টুনীকে গ্রেফতার করেছে। হন্তা মা আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দেয় বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের নজরুলের তালাবদ্ধ ঘরে বিছানায় চাদর পেঁচানো অবস্থায় তার দ্বিতীয় স্ত্রীর শিশু সন্তান তানজিমার মরদেহ পাওয়া যায়। রহস্যাভৃত এ বিষয়টির ব্যাপারে শিশুটির নানী চরমান্দালীয়া গ্রামের ফিরোজা বেগম মনোহরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মৃত শিশু তানজিমার মা রহিমা টুনী (২৩) কে আজ শনিবার গ্রেফতার করে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।
এতে জানা যায়,সতীন হনুফাকে ফাঁসাতে রহিমা টুনী গোপনে নিজ গর্ভজাত মেয়ে তানজিমাকে নানী বাড়ী থেকে নিয়ে আসে এবং খিদিরপুর এলাকার পাড়াতলা গ্রামের একটি পুকুরের পানিতে তাকে চুবিয়ে হত্যা করে। পরে সুযোগমতো সে স্বামীর বসতঘরের বিছানায় মেয়ে তানজিমার মরদেহ রেখে ঘরের দরোজা তালাবদ্ধ করে চলে যায় সে। শনিবার পুলিশ তাকে গ্রেফতারের পর আদালতে রহিমা টুনী একটি স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে বলে জানা গেছে।
মনোহরদী থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান,নিজ সন্তান হত্যার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত রহিমা টুনী বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন।