সর্বশেষ আপডেট : ১০ ঘন্টা আগে
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সরকার প্রবাসীদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে : মন্ত্রী আরিফ

স্টাফ রিপোর্টার ::

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের সময় সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিক ও প্রবাসীদের পাশে সরকার রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে এখন পর্যন্ত চারজন বাংলাদেশি নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে সরকারের উদ্যোগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

সোমবার সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমেদ আলীর মরদেহ গ্রহণের সময় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রবাসীদের যেকোনো সংকটে তাদের পরিবারের সদস্যদের মতো পাশে থাকবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। মরদেহ গ্রহণ শেষে মন্ত্রী আহমেদ আলীর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন।

এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সালেহ উদ্দিন ওরফে আহমেদ আলীর মরদেহটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে বিমানের আরেকটি ফ্লাইটে মরদেহটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়।

সকাল ১১টার দিকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আহমেদ আলীর মরদেহ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজা-উন-নবী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, সিলেটের জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম এবং সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মন্ত্রী নিজেই মরদেহটি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা গ্রামে নিহতের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

আহমেদ আলী বড়লেখার গাজিটেকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে পানি সরবরাহের গাড়ির চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হন। তার দুই ছোট ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদ একই শহরে বসবাস করেন এবং তারাই পরিবারের সদস্যদের কাছে মৃত্যুর খবর পৌঁছে দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: