![]()


ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক শিক্ষার্থী সোহাগ খন্দকার আত্মহ’ত্যা করেছেন। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ির নিজ কক্ষে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহ’ত্যা করেন তিনি। সোহাগ চারুকলা অনুষদের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের ২০০৮-০৯ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাসা নীলফামা’রী জে’লার সৈয়দপুর উপজে’লার কয়ানিজপাড়া গ্রামে।
আত্মহ’ত্যার পূর্বে সোহাগ ফেসবুকে লেখেন―‘ভালো থাকুক সেসব মানুষ যারা শুধু নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। যার কাছে অন্যের গুরুত্ব নাই বললেই চলে’, ‘যদি কেউ আমা’র উপর ক’ষ্ট নিয়ে থাকেন। আল্লাহর দোহাই মাফ করে দিবেন’, ‘জীবনের কাছে হার মেনে গেলাম। আমি আর পারলাম না,’ এবং ‘একটা মানুষ যখন জীবনের কাছে হেরে যায় তখন আর করার কিছু থাকে না। ’
চারুকলা অনুষদেরই নুর আহম্মেদ নামের সাবেক এক শিক্ষার্থী জানান, সোহাগের ফেসবুকের স্ট্যাটাসটি দেখার পর স্থানীয়রা তার বাসায় এসে তাকে ডা’কাডাকি করে। সাড়া না পেয়ে তারা সোহাগের ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তাৎক্ষণিকভাবে উ’দ্ধার করে হাসপাতা’লে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহাগকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।
জানতে চাইলে চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হীরা সোবাহান বলেন, ‘বিষয়টি আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছ থেকেই শুনলাম। ঘটনাটি সত্যিই খুব বেদনাদায়ক। আত্মহ’ত্যা কোনো সমাধান হতে পারে না। সোহাগের শিক্ষক অধ্যাপক সুশান্ত কুমা’র অধিকারী (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক) বলেন, ‘সে আমা’র খুব প্রিয় শিক্ষার্থী ছিল। জানতে পেরেছি পারিবারিক কলহের কারণে ও আত্মহ’ত্যা করেছে। ‘
সৈয়দপুর থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান বলেন, এ ঘটনায় থা’নায় একটি অ’পমৃ’ত্যু মা’মলা হয়েছে। ম’রদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।