![]()


হবিগঞ্জের লাখাই উপজে’লায় নববধূ গণধ’র্ষণের ঘটনায় তিনজন আ’ট’ক করেছে পু’লিশ। মা’মলার অন্যান্য আ’সামিদের আ’ট’ক করতে পু’লিশ কাজ করছে।
গ্রে’প্তারকৃতরা হলো- উপজে’লার মোড়াকড়ি গ্রামের ইব্রাহীম মিয়ার ছে’লে মিঠু মিয়া (২১), রাকু মিয়ার ছে’লে শুভ মিয়া (১৯) এবং ইকবাল হোসেনের ছে’লে সোলায়মান রনি (২২)।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জের নারী ও শি’শু নি’র্যা’তন দমন-২ আ’দালতে নববধূর স্বামী ৮ জনকে আ’সামি করে মা’মলা করেন। আ’দালত মা’মলা’টি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেকর্ড করতে লাখাই থা’নার ওসিকে নির্দেশ দেন।
নববধূ স্বামী জানান, প্রায় মাসখানেক পূর্বে পারিবারিকভাবে তিনি বিয়ে করেন। বিয়ের একদিনের মা’থায় তিনি কাজের সুবাদে ঢাকায় চলে যান। কয়েকদিন আগে তিনি ফের বাড়ি ফিরেন। এরপর গত ২৫ আগস্ট দুপুরে তিনি তার স্ত্রী’ ও বন্ধুকে নিয়ে হাওরে নৌকা ভ্রমণে যান। ভ্রমণের এক পর্যায়ে একই গ্রামের মুছা মিয়া, সুজাত মিয়া, হৃদয় মিয়া, মিঠু মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া ও জুয়েল মিয়াসহ ৫/৬ জন যুবক নৌকাযোগে এসে তাদের গতিরোধ করে। পরে কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে ও তার বন্ধুকে মা’রধোর করে অ’স্ত্রের মুখে জি’ম্মি করে নববধূকে ধ’র্ষণ করে। ধ’র্ষণকারীরা এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। পরে তারা ঘটনাটি কাউকে না জানাতে হু’মকি দিয়ে চলে যায়। এবং বিষয়টি জানাজানি হলে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হু’মকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, বাড়িতে আসার পর বিষয়টি লোকলজ্জার ভ’য়ে ও ধ’র্ষণকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় কাউকে জানাননি। তবুও গত কয়েকদিন থেকে লম্পটরা ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয়ার হু’মকি দিয়ে আসছে। এক পর্যায়ে ভিডিওটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তারা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার সে তার স্ত্রী’কে নিয়ে তিনি হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতা’লে ভর্তি হয়েছেন।
লাখাই থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) আজিজুর রহমান জানান, অ’ভিযু’ক্ত শুভ, মিঠু ও রনিকে আ’ট’ক করা হয়েছে আ’ট’ক করা হয়েছে। বাকী’দের আ’ট’ক করতে অ’ভিযান অব্যহত রয়েছে।