![]()



পিআইবি-এটুআই গণমাধ্যম পুরস্কার ২০২১’ পেলেন সিলেট মিরর-এর নিজস্ব প্রতিবেদক শুয়াইব হাসান (শুয়াইবুল ইসলাম)। সিলেট মিরর-এ প্রকাশিত ‘ডিজিটালে বদলে যাওয়া জীবন’ শিরোনামে পাঁচ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্য তিনি আঞ্চলিক সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার পান।
রবিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) ও একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) যৌথভাবে ২০১৫ সাল থেকে এ পুরস্কার দিচ্ছে। তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান (এমপি), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেন, এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আব্দুল মান্নান (পিএএ)। অনুষ্ঠানে সভা প্রধান ছিলেন পিআইবির মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ।
এবার সাতটি ক্যাটাগরিতে পিআইবি-এটুআই গণমাধ্যম পুরস্কার দেওয়া হয়। পিআইবি গঠিত বিচারকম-লীর মূল্যায়নে পুরস্কারের জন্য বিজয়ী সাতজনের নাম চূড়ান্ত হয়। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
তারা হলেন- জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র (বাংলা) ক্যাটাগরিতে সাদেকুর রহমান (দৈনিক জবাবদিহি), জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্র (ইংরেজি) ক্যাটাগরিতে জসীম উদ্দীন (ফিনানসিয়াল এক্সপ্রেস), টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে আল মামুন (বাংলাভিশন), আঞ্চলিক সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে শুয়াইবুল ইসলাম (দৈনিক সিলেট মিরর), অনলাইন সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে সোলায়মান হাজারী ডালিম (বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম), বেতার ক্যাটাগরিতে মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ বেতার) এবং নারী সাংবাদিক ক্যাটাগরিতে আঞ্জুমান লায়লা (চ্যানেল আই)।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা প্রত্যেক বিজয়ীর হাতে ৭৫ হাজার টাকার চেক, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন।
পুরস্কার গ্রহণের পর নিজের প্রতিক্রিয়ায় শুয়াইব হাসান বলেন, ‘এ স্বীকৃতি আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। সাংবাদিকতায় আরো ভালো করতে, এগিয়ে যেতে এই স্বীকৃতি আমাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।’
সিলেট মিররের সকল সহকর্মীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ অর্জন আমার একার নয় পুরো সিলেট মিরর পরিবারের। বিশেষ করে সম্পাদক, প্রধান বার্তা সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদককে বিশেষ কৃতজ্ঞতা। তাঁদের উৎসাহ ও সহযোগিতায় এ সিরিজ প্রতিবেদন তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।’
সিলেটের একটি পত্রিকার হয়ে পুরস্কার অর্জন এই অঞ্চলে কর্মরত অন্যদেরও কাজে উৎসাহ যোগাবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার সহকর্মীরাও ভালো কাজে উৎসাহ পাবেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের আরো পুরস্কার অর্জন করবেন বলে আমার বিশ্বাস।’