সর্বশেষ আপডেট : ৪৭ মিনিট ২৪ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সৌদির বিভিন্ন কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বন্দি আছেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে আটকে পড়া প্রবাসীদের সৌদি ভিসা ও আকামার মেয়াদ বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রবাসীদের যারা চাকরি হারিয়েছেন তাদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি নিয়েও আলোচনা করছে সরকার। সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিক মোহাম্মদ শাহেদ আহমেদের মরদেহ গ্রহণ করতে যান প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

সৌদিতে ৪০ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, যখনই যুদ্ধের কারণে অথবা অন্য কোনো দুর্ঘটনার খবর পাই, সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের কথা ভেবে আমরা দুশ্চিন্তা করি। কিন্তু এ বাস্তবতার মধ্য দিয়ে আমাদের চলতে হচ্ছে। আমরা চাই যুদ্ধ বন্ধ হোক এবং বাংলাদেশিসহ কোনো দেশের নাগরিক বা কোনো মানুষই যেন এমন হামলার শিকার না হন, বলেন তিনি।

সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি বন্দি হিসেবে আছেন বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সম্প্রতি সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় তারা আমাদের বন্দিদের বা দণ্ডিতদের তালিকা পাঠায়। সেখানে এই দুজনের নাম আছে কি না, আমরা খতিয়ে দেখছি। তাদের ব্যাপারে আর বিস্তারিত তথ্য আমরা পাইনি। দুই বাংলাদেশিকে শিরচ্ছেদ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কথা বলা হয়েছে। আমরা সৌদি সরকারকে অফিসিয়ালি চিঠি দিয়েছি রায়ের কপি দেওয়ার জন্য। রায়ের কপি পেলেই আমরা বিস্তারিত জানতে পারব যে কী ঘটেছিল সেখানে, যোগ করেন তিনি।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, বিদেশে আমাদের কোনো নাগরিক যদি দণ্ডিত হয়, সেটা অবশ্যই আমাদের জানা প্রয়োজন আছে। চিঠি দিয়েছি, একটু ধৈর্য ধরতে হবে। এখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুধু নয়, প্রবাসীকল্যাণ এবং আইনগত ব্যাপারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও এতে যুক্ত আছেন। কোনো দেশে থাকা মিশন বা মন্ত্রণালয় যখন জানতে পারে কোনো বাংলাদেশি দণ্ডিত হয়েছে, তখন আমরা অফিসিয়াল প্রক্রিয়ায় ডিপ্লোমেটিক চ্যানেলে যোগাযোগ করি। সেদেশের সরকারের সঙ্গে কথা বলে দণ্ড মওকুফ করা যায় কি না, তা নিয়ে তার চেষ্টা করি। আমরা অন্য দেশের জুডিশিয়াল সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করি না। কিন্তু আমার দেশের নাগরিককে বাঁচানোর জন্য যতটুক দরকার সেটা করতে পারি। এই দুজনের ব্যাপারে যে সমস্যা হয়েছে সেটা হলো, আমরা জানতাম না, বলেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: