![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া ও পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি ভয়াবহ বন্দুক হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুটি শিশু ও একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীও রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।
স্থানীয় পুলিশ বিভাগের তথ্যমতে, শুক্রবার সন্ধ্যায় জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডগলাস শহরের একটি বাড়িতে প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাঁচজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। তবে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসকরা তাদের সবাইকে মৃত ঘোষণা করেন।
একই দিন সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের এরি শহরে ঘটে দ্বিতীয় মর্মান্তিক বন্দুক হামলার ঘটনা। সেখানে সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ মোট ৯ জন প্রাণ হারান। এরি শহর কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে জানানো হয়, বিতর্কিত ‘শটস্পটার’ প্রযুক্তির (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মাইক্রোফোন নেটওয়ার্ক) মাধ্যমে গুলির শব্দ শনাক্ত করে পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীসহ সবার মৃত্যু হয়। এরপর সেখানে আর কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি।
এরি পুলিশের প্রধান রিক লোরাহ এই ঘটনাকে তাঁর ২৮ বছরের পেশাগত জীবনের অন্যতম ভয়াবহ ও মর্মান্তিক দৃশ্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, “এই বিপুল প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি। তবে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মারা যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য আপাতত আর কোনো ঝুঁকি নেই।”
এদিকে, পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছেন, তিনি এরি শহরের মেয়র ডেভলিনের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলার ঘটনা নিয়মিত নৈমিত্তিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। দেশটিতে সাধারণত হামলাকারী বাদে তিন বা চারজনের বেশি মানুষ গুলিতে নিহত হলে সেটিকে ‘ম্যাস শুটিং’ বা গণগুলির ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।