সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জলাবদ্ধতা নয়, চট্টগ্রামে পাঁচ স্থানে ‘অস্থায়ী জলজট’ হয়েছিল: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

অতিবৃষ্টির পর চট্টগ্রাম মহানগরীর কয়েকটি সড়কে পানি জমে যে দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তাকে ‘জলাবদ্ধতা’ বলতে নারাজ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘জলাবদ্ধতা’নয়, পাঁচ স্থানে ‘অস্থায়ী জলজট’ হয়েছিল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরী পানিতে ডুবে যাওয়ার যে খবর ছড়িয়েছে, তার অনেকটাই ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও কাল্পনিক। ২০২৪ সালের ছবি ব্যবহার করেও অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী যে চট্টগ্রামবাসীর কাছে ‘দুঃখপ্রকাশ’ করেছেন, নগরবাসী তাকে ‘ইতিবাচকভাবে নিয়েছে’বলে তার ভাষ্য।

মঙ্গলবার অতিবৃষ্টিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যাওয়ার খবর সংবাদমাধ্যমে আসে। কোথাও কোথাও কোমরসমান পানির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

এ নিয়ে বুধবার প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১০ আসনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামবাসীর কাছে ‘দুঃখপ্রকাশ’ করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সংসদে বিবৃতি দিয়ে শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি বুধবার চট্টগ্রাম গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখেছেন। সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরেছেন।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, সাধারণ মানুষ এইটুকু বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরবাসীর সঙ্গে ‘দুঃখপ্রকাশ’ করেছেন, এ জন্য তারা ‘আনন্দিত ও খুশি’। প্রধানমন্ত্রী এর মাধ্যমে ‘অত্যন্ত বড় মনের’পরিচয় দিয়েছেন। নগরবাসীর মতে, এক বা দুই বছর আগের তুলনায় এখন চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা অনেক কমেছে।

চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ৫৭টি খাল রয়েছে। এর মধ্যে ৩৬টি খালের উন্নয়নকাজ চলছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সেনাবাহিনী এ কাজ বাস্তবায়ন করছে। এ পর্যন্ত ৩০টি খালের কাজ শেষ হয়েছে, আর ৬টির কাজ চলছে বলে তথ্য দেন শাহে আলম।

তিনি বলেন, চলমান কাজের কারণে কয়েকটি জায়গায় অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। হঠাৎ অতিবৃষ্টিতে ওই বাঁধগুলোর কারণে পানি নামতে দেরি হওয়ায় কিছু এলাকায় জলজট তৈরি হয়।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, যৌথ উদ্যোগে তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে পানি নেমে যায় এবং বৃহস্পতিবার সেখানে আর কোনো পানি ছিল না। চট্টগ্রামে মেয়রের নেতৃত্বে একটি সমন্বিত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে কমিটি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।

এ ছাড়া যেসব খালের কাজে ‘ব্যারিকেড’ দেওয়া আছে, সেগুলোর কাজ আপাতত বন্ধ রেখে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়ান তথ্য দেন প্রতিমন্ত্রী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: