![]()

cialis fiyat cialis sipariş http://umraniyetip.org/
Fapperman.com DoEscortscialis viagra viagra cialis cialis viagra cialis20mgsite.com geciktirici sprey azdırıcı damla

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
হেবরনের পুরোনো শহরে ইসরায়েলি বাহিনী কারফিউ জারি করে ইব্রাহিমি মসজিদ মুসলিমদের জন্য বন্ধ রেখেছে। এতে ফিলিস্তিনিরা ঘরে ফিরতে না পেরে আত্মীয়দের বাসায় রাত কাটাতে বাধ্য হন। ইসলামিক ও ইহুদি উৎসবের নামে ধর্মীয় অধিকার সীমিত হওয়ায় উত্তেজনা বাড়ছে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) স্থানীয় কর্মীরা অভিযোগ করেন, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী হেবরনের পুরোনো শহরে ফিলিস্তিনিদের ওপর কারফিউ জারি করেছে এবং ইব্রাহিমি মসজিদ মুসলিমদের জন্য বন্ধ রেখেছে, যাতে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা ইহুদি ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে।
হেবরন ডিফেন্স কমিটির সদস্য এবং এলাকার বাসিন্দা আরেফ জাবের বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে জানান, শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল থেকে পুরোনো শহরের বিভিন্ন মহল্লায় কারফিউ কার্যকর রয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী পুরোনো শহরে যাওয়ার সামরিক চেকপয়েন্টগুলো বন্ধ করে প্রবেশ ও বেরোনো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। ফলে অনেক ফিলিস্তিনি বাড়িতে ফিরতে না পেরে হেবরনের অন্যত্র আত্মীয়দের বাসায় রাত কাটাতে বাধ্য হন।
জাবের বলেন, “শত শত অবৈধ বসতি স্থাপনকারী পুরোনো শহরে ঢুকে ভারী সৈন্য-প্রহরায় ‘উসকানিমূলক’ শোভাযাত্রা করছে। এই কারফিউ ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ইব্রাহিমি মসজিদের বাকি অংশ দখল করে সেটিকে উপাসনালয়ে রূপান্তর করার প্রচেষ্টার অংশ।”
বসতি স্থাপনকারীদের এই উৎসব ‘সারাহ’স ডে’ নামে পরিচিত, যা হেবরনে অনুষ্ঠিত এক বার্ষিক ইহুদি অনুষ্ঠান। এতে শহরে ঐতিহাসিক ইহুদি উপস্থিতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
ফিলিস্তিনি ধর্মীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শুরুর দিক থেকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন ইব্রাহিমি মসজিদের সুক গেট বন্ধ রেখেছে, পূর্ব গেট জানালাসহ খোলা রাখা হয়েছে।
পুরোনো হেবরনের মসজিদ সম্পূর্ণ ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত, যেখানে প্রায় ৪০০ অবৈধ বসতি স্থাপনকারীকে পাহারা দিতে প্রায় ১,৫০০ ইসরায়েলি সেনা মোতায়েন রয়েছে।
১৯৯৪ সালে এক অবৈধ বসতি স্থাপনকারীর হামলায় ২৯ ফিলিস্তিনি উপাসক নিহত হওয়ার পর ইসরায়েল মসজিদটি ভাগ করে দেয়—৬৩ শতাংশ অংশ ইহুদি উপাসনার জন্য এবং ৩৭ শতাংশ মুসলিমদের জন্য বরাদ্দ করা হয়। ইহুদি অংশের মধ্যে আজান দেওয়ার কক্ষও রয়েছে।
ইসরায়েলের একতরফা ব্যবস্থাপনায় বছরে ১০ দিন ইহুদি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে মসজিদটি মুসলিমদের জন্য বন্ধ থাকে। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধে শুরু হওয়ার পর থেকে মুসলিমদের পূর্ণ প্রবেশাধিকারের নিয়ম আর মানা হচ্ছে না।