![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
যুক্তরাষ্ট্রের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারি চালু করতে আদালত যে রায় দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আদালতের আদেশ স্থগিত রাখার আবেদনও জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সেই আবেদন মঞ্জুর হলে লটারির নিবন্ধন শুরুর প্রক্রিয়া ফের ঝুলে যেতে পারে।
গত ১৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে ডিভি-২০২৭ লটারির নিবন্ধন চালুর নির্দেশ দেন ফেডারেল আদালত। এ কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ডাইভারসিটি ভিসা বা গ্রিন কার্ড লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ও গ্রিন কার্ডসংক্রান্ত মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী কার্টিস মরিসনের বরাতে ‘ইউএ নিউজ’ লিখেছে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্কো রুবিও আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতের আদেশ স্থগিত রাখার আবেদনও করেছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র সরকার ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশের আবেদন বিবেচনার জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।
আদালত আবেদন মঞ্জুর না করলে ২২ অক্টোবরের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নবম সার্কিট আপিল আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
তবে আপিল করলেই ফেডারেল আদালতের রায় বাতিল হয়ে যায় না বা তার কার্যকারিতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয় না। নিবন্ধন স্থগিত করতে হলে সরকারকে আদালতের কাছ থেকে আলাদা স্থগিতাদেশ নিতে হবে।
আদালত প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশে নির্ধারিত সময়সীমা বহাল থাকবে।
সময়সূচি অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে নিবন্ধনের তারিখ ও শর্ত ঘোষণা করতে হবে। নিবন্ধন শুরু করতে হবে ১ নভেম্বরের মধ্যে। নির্বাচিতদের ফল জানাতে হবে ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে।
তবে গ্রিন কার্ড লটারির প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নির্ভর করছে চলমান আইনি প্রক্রিয়া নিষ্পত্তির ওপর।
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আবেদন মঞ্জুর হলে নিবন্ধন চালুর নির্দেশ স্থগিত হতে পারে। এতে নিবন্ধন শুরু হতে আরও দেরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গ্রিন কার্ড দেওয়ার নিয়ম কঠোর করার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগ বহাল রাখেন। এ বিষয়ে পাঁচ বিচারপতি কঠোর নিয়মের পক্ষে এবং চারজন বিপক্ষে ভোট দেন।
বাংলাদেশিদের জন্য ২০১২ সাল থেকে ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচি বন্ধ রয়েছে।
কারণ হিসেবে বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, “২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি এ ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর ফলে বাংলাদেশ এই যোগ্যতা হারিয়েছে।
“কারণ ডিভি কর্মসূচি সেই দেশগুলোর জন্য, যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার তুলনামূলক কম।”