![]()


লন্ডন প্রতিনিধি ::
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট খায়রুল আলমের যুক্তরাজ্য আগমন উপলক্ষে ঢাকাদক্ষিণবাসীর উদ্যোগে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর, মঙ্গলবার লন্ডনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকাদক্ষিণের অসংখ্য প্রবাসী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মাহমুদুর রহমান শানুর এবং পরিচালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল বাছির। শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কমিউনিটি এক্টিভিটিস দেওয়ান নজরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা খায়রুল আলমের কর্মজীবন, মানবিকতা ও সমাজসেবায় অবদানের কথা তুলে ধরেন। তার স্কুল ও কলেজ জীবনের সহপাঠী এবং শুভানুধ্যায়ীরা স্মৃতিচারণে বলেন, “খায়রুল আলম একজন সৎ, সৃজনশীল ও মানবিক মানুষ—যিনি পেশাগত জীবনের পাশাপাশি সমাজের কল্যাণে নিজেকে নিবেদন করেছেন।”
আলোচনায় অংশ নেন আব্দুল কাদির, সাদেক আহমেদ খান, রুহুল কুদ্দুস জুনেদ, ওয়েছ আহমদ, তাজুল ইসলাম, দেলওয়ার আহমদ শাহান, সোহেল আহমেদ কোরেশী, শাহীন আহমেদ, সাব্বির আহমেদ সেলিম, গোলাম মনোয়ার খান বাবরসহ আরও অনেকে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্পিকার আহবাব হোসেন, হেলাল আহমেদ, মোহাম্মদ শামীম আহমেদ, টিপু চৌধুরী, এমদাদ হোসেন টিপু, শোয়েব আহমেদ, রায়হান উদ্দিন, আব্দুল মতিন, সোবহান উদ্দিন ও কয়েছ আহমেদসহ প্রবাসী সমাজের পরিচিত মুখরা।
সংবর্ধিত অতিথি এডভোকেট খায়রুল আলম বলেন, “আইনের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আমার জীবনের লক্ষ্য। আমরা পরিবারিক উদ্যোগে গোলাপগঞ্জে ‘ব্রিটিশ আউডিয়াল স্কুল’ পরিচালনা করছি, যাতে প্রান্তিক এলাকার শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া যায়।” তিনি আরও জানান, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি মানবকল্যাণে কাজ চালিয়ে যেতে চান এবং ভবিষ্যতের জন্য তার একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সহপাঠীরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করেন এবং শেষে ক্রেস্ট তুলে দিয়ে সংবর্ধিত অতিথিকে সম্মাননা জানানো হয়।
পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল আনন্দ আর আবেগের স্রোত। প্রবাসী ঢাকাদক্ষিণবাসীরা শৈশব-যৌবনের স্মৃতিচারণে মেতে ওঠেন প্রিয় বন্ধু খায়রুল আলমকে ঘিরে। খায়রুল আলমও সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসাই আমার প্রেরণা।”
সভায় ঢাকাদক্ষিণ ক্রীড়াচক্রের সাফল্য এবং ভবিষ্যতে সংগঠনের উন্নয়নে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করা হয়। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে গোলাপগঞ্জ উপজেলা ফুটবল টিম রানার্সআপ হওয়ায় দলকে অভিনন্দন জানানো হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি এক হৃদয়গ্রাহী বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়, যেখানে পুরোনো সম্পর্কগুলো নতুন করে জেগে ওঠে প্রবাসের মাটিতে।