![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেছে, চলতি বছর জিলহজ মাস শুরু হয়েছে আজ বুধবার, ২৮ মে। সেই অনুযায়ী, পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে ৪ জুন। এদিন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত মুসলমানরা মিনায় তাঁবু শহরে সমবেত হবেন। এর পরদিন, ৫ জুন পালিত হবে পবিত্র আরাফাত দিবস।
মঙ্গলবার রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত সৌদি মন্ত্রিসভার বৈঠকে হজ মৌসুমের প্রস্তুতি ছাড়াও আঞ্চলিক রাজনীতি, জ্বালানি খাতের অগ্রগতি, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সৌদি প্রেস এজেন্সিকে উদ্ধৃত করে অনলাইন আরব নিউজ জানিয়েছে, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও আরাম নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। উন্নত অবকাঠামো ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ফলে এবারের হজ আরও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্ত্রিসভা জানিয়েছে, পবিত্র দুই মসজিদের সেবাকে সৌদি সরকার গর্বের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে। লাখো মুসলমানের হজ ও ওমরাহ পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা দেশটির ইসলামী নেতৃত্বের ঐতিহ্যবাহী দায়বদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ।
এছাড়া, সৌদি আরব ও কুয়েতের মধ্যে নিরপেক্ষ অঞ্চলে একটি নতুন তেলক্ষেত্র আবিষ্কারকে মন্ত্রিসভা “ইতিবাচক অগ্রগতি” হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে। যৌথ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন প্রচেষ্টার সফল ফল হিসেবেই এই আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।
গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সৌদি সরকার আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের কারণে ইসরাইলের প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।
এছাড়া, মালিতে ইসলামী সামরিক সন্ত্রাসবিরোধী জোটের মাধ্যমে সাহেল অঞ্চলের জন্য একটি নতুন আঞ্চলিক কর্মসূচি চালু করার উদ্যোগকে মন্ত্রিসভা সাধুবাদ জানিয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সন্ত্রাস দমন ও এর অর্থায়ন বন্ধে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হবে।
স্বাস্থ্যখাতে ভিশন ২০৩০-এর আওতায় নেওয়া রূপান্তর কর্মসূচির প্রশংসা করে বলা হয়, এতে স্বাস্থ্যসেবা হয়েছে আরও মানসম্মত, প্রতিরোধমূলক ও ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর। এছাড়া, ট্রাফিক নিরাপত্তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।