![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
রাঙামাটিতে বন্যার পানিতে ডুবে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাঘাইছড়ি পৗরসভার উগলছড়ির কাপ্তাই হ্রদ থেকে ভাসমান অবস্থায় এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার নাম মো. জুয়েল (৭)। সে বাঘাইছড়ি পৌরসভার মাদ্রাসা পাড়ার মহসিনের ছেলে। এর আগে দুপুরে বাঘাইছড়ি উপজেলার করেঙ্গাতলী গ্রামে রাহুল বড়ুয়া (১০) নামে এক শিশু বন্যার পানিতে ডুবে মারা যায়। শিশুটি বঙ্গলতলী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের অরুন বড়ুয়ার ছেলে। গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয় সে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, সাজেকের মাচালং এলাকায় পানিতে ডুবে থেব্রা ত্রিপুরা (৩৫) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে সাজেক থানা পুলিশ। গতকাল থেকে থেব্রা ত্রিপুরা নিখোঁজ ছিলেন।
বাঘাইছড়ি থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করেন।
বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন। তবে কর্ণফুলীর নদীর পানির স্রোতের কারণে বরকল উপজেলার ভূষণছড়া ইউনিয়নের হুব্বাং, ঠেগা, বড় হরিণা ইউনিয়ন, জুরাছড়ি উপজেলার দুমদুম্যার বগাখালী এলাকায় ত্রাণ নেয়া সম্ভব হয়নি। এদিকে আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ার কারণে এখনো দেড় হাজারের বেশি লোক আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছে।
এ পর্যন্ত জেলায় ৩৮০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ৭ লাখ টাকার ত্রাণ বিতরণ করেছে জেলা প্রশাসন।
গত টানা ৭ দিনের বৃষ্টিতে রাঙামাটি সদর, বিলাইছড়ি, বরকল, কাপ্তাই, জুরাছড়ি, নানিয়াচর, কাউখালী, রাজস্থলী এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধস হয়। এতে জেলার ৫০টি উপজেলার মধ্যে ২৯টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।