সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

লালাখাল-চতুল রাস্তায় নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহারের অভিযোগ

সিলেটের জৈন্তাাপুর উপজেলার লালাখাল-চতুল রাস্তার পাকঁকরণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জৈন্তাপুর উপজেলা এলজিইডিকে জানালে কোন কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করায় কিছুদিনের মধ্যে রাস্তাটি পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে এবং সরকারের টাকা গচ্ছা যাবে।

এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত শিডিউল না মেনে নিম্ন মানের পরিত্যাক্ত মানহীন ইটের খোয়া নম্বর বিহীন ইট দ্বারা হেজাং, কাঁদা মাটি মিশ্রিত বালু এবং পুরাতন মেয়াদ বিহীন পরিত্যাক্ত পিচঁ পুনরায় ব্যবহার করে রাস্তাটির কাজ দেদারছে করে যাচ্ছে। টিকাদারী প্রতিষ্টান রাস্তার কাজের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা এলজিইডির কর্মকর্তা উপস্থিতিতে থাকার কথা।

কিন্তু কাজের সময় সেখানে কোন কর্মকর্তাকে উপস্থিত থাকেন না। কাজের মান নিয়ে এলাকাবাসীর নরুল ইসলাম, কবির উদ্দিন, বিলাল আহমদ জানান রাস্তার পূর্বের মাল দিয়ে তড়িঘড়ি করে জুড়াতালি দিয়ে অতিরিক্ত শ্রমিক দিয়ে তড়িগড়ি দিয়ে কাজ করেছে টিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

এলাকাবাসীর দাবী এভাবে নি¤œ মানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ হলে আমরা দূর্ভোগে রয়ে যাবো বরং রাস্তা নির্মানে সরকারের মোটা অংকের টাকা গচ্ছা যাবে। এলাকাবাসীর কাছে স্থানীয় মন্ত্রীর দূর্নাম ছড়াবে।

এলাকাবাসী আরও বলেন, বিষয়টি মাননীয় সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদোশিক কর্র্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ এম.পি, সিলেটের জেলা প্রসাশক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা এলজিইডি বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সহ জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

জৈন্তাপুর উপজেলা প্রকৌশলী এ.কে.এম রিয়াজ মাহমুদ জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পরিদর্শন গিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার না করার জন্য বলে এসেছি। ব্যবহৃত সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলে দিয়েছি, দুই-এক দিনের মধ্যে মিন্মমানের সামগ্রী সরিয়ে নিয়েছেন কি না পুনরায় তদন্ত করে দেখবেন।

চারিকাটা ইউপির চেয়ারম্যান মো. সুলতান করিম জানান, আমি সড়কটির কাজের অনিয়ম নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলজিইডি সহ উপজেলা চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্টদেরকে জানাই। কিন্তুু কাজের কোন পরিবর্তন হচ্ছে না, বরং অদৃশ্য কারনে দায়সারা ভাবে তড়ি ঘড়ি করে টিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল বশিরুল ইসলাম জানান, আমি অভিযোগ পাওযার পর গত সপ্তাহে রাস্তাটি ভিজিট করি, কাজে নিম্নমানের সামগ্রী দেখায় সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অবহিত করেছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: