![]()



করো’না সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে দেশব্যাপী চলা কঠোর লকডাউন অমান্য করে সোনাগাজীতে আয়োজিত বিয়ে বাড়িতে সে’না সদস্যদের নিয়ে হঠাৎ উপস্থিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।তাদেরকে দেখেই বরকে রেখে বরযাত্রীসহ অনুষ্ঠানে আসা সব অ’তিথিরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। অনেকেই বিভিন্ন বাড়ি-ঘরে গিয়ে আশ্রয় নেন।
রোববার উপজে’লার আমিরাবাদ ইউনিয়নে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় আমিরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল আলম জানান, সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন অমান্য করে ইউনিয়নের সফরপুর ছলিম উদ্দিন মুন্সি বাড়িতে হেদায়েত উল্লাহর মে’য়ের বিয়ের আয়োজন করা হয়। খবর পেয়ে টহলরত সে’না সদস্যদের নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজে’লা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসেন অ’ভিযান চালান।
বিয়ে বাড়িতে সে’নাসদস্য ও অ্যাসিল্যান্ড প্রবেশের খবর শুনে বরযাত্রী ও অন্যান্য অ’তিথিরা এদিক-ওদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। এ সময় বাড়ির লোকজন ও অ’তিথিদের আশেপাশের বাড়ি-ঘরে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। পরে মে’য়ের বাবা মুচলেকা দিলে স্বল্প পরিসরে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
করিম মিয়া নামে বিয়ে বাড়ির এক অ’তিথি বলেন, খাবার খেতে বসে শুনি সে’নাবাহিনী নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট চলে এসেছে। ভ’য়ে হাত না ধুয়েই দৌড়ে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নিই। অনেক মেহমান না খেয়েই পালিয়েছে।
ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন জানান, সচেতনতার অভাবে মানুষ কঠোর লকডাউন ভঙ্গ করে সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। বিয়ে বাড়িতে লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্যের দায়ে ১০ হাজার টাকা জ’রিমানা করে মে’য়ের বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে স্বল্প পরিসরে বিয়ের কাজ শেষ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।