![]()



সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে অ’তিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও ভা’রতীয় পাহাড়ি ঢলের কারণে বিপদ সীমা’র ওপর দিয়ে বইছে ধলাই নদী। নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে তীরবর্তী বাড়ি-ঘর। মঙ্গলবার তীরবর্তী বাড়ি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ায় উদ্বাস্তু হয়েছে চাঁনপুর কয়েক পরিবার।
এ নিয়ে গত ৩ বছরে ভাঙনে ২৭টি পরিবার তাদের ভিটেমাটি হারিয়েছে। ভাঙন ঝুঁ’কিতে রয়েছে ওই গ্রামের আরও ১৯০টি পরিবার।
উপজে’লা নির্বাহী অফিসার সুমন আচার্য বলেন, যারা বাড়িঘর হারিয়েছেন তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ভাঙনরোধেও কাজ করে যাচ্ছি। গ্রামটিকে রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডেও চিঠি পাঠিয়েছি।
নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত সামসু মিয়া, ধন মিয়া, হাসু মিয়া ও আনোয়ারা বেগম জানান, নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি সব বিলীন হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর আলম জানান, চাঁনপুর গ্রামে প্রথম ভাঙন দেখা দিয়েছিল ২০১৭ সালে। ২০১৯ সালে ভাঙ্গনের চানপুর গ্রামের শাহাবুদ্দীন মিয়া, আলতু মিয়া, বিছন আলী, হোসেন মিয়া, হযরত আলী, নজরুল ইস’লাম, হাসেন আলী এবং ২০২০ সালে ভাঙ্গনের নুরুল আমিন, মওলা মিয়া, আনোয়ার বেগম, এরশাদ মিয়া, ধন মিয়া, মুর্শিদ মিয়া, হোসেন মিয়া, কাশেম মিয়া, সামসু মিয়া, রইছ উল্লাহসহ সতেরটি পরিবারের ভিটেমাটি বাড়ি-ঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এই ভাঙন রোধ করতে না পারলে অচিরেই হারিয়ে যাবে চাঁদপুর গ্রামটি। বিলীন হয়ে যাবে। ঝুঁ’কি নিয়ে ১৯০টি পরিবার বসবাস করছেন এখানে।