![]()



ডাইভা’রসিটি ভিসা বা ডিভি লটারি। উন্নত জীবনের আশায় মা’র্কিন যু’ক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর সবচেয়ে সহ’জ এবং সস্তা উপায়গুলোর একটি। ডিভি লটারির মাধ্যমে যু’ক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো বাংলাদেশির সংখ্যা কম নয়। ঢাকায় যু’ক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস সূত্র বলছে, ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি এই ভিসার আওতায় দেশটিতে গেছেন।
যদিও ২০১২ সালের পর বাংলাদেশ থেকে আর কেউ ডাইভা’রসিটি ভিসা কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারছেন না। কারণ হিসেবে দূতাবাস বলছে, ডিভি কর্মসূচি সেই দেশগুলোর জন্য যেসব দেশ থেকে যু’ক্তরাষ্ট্রে অ’ভিবাসনের হার তুলনামূলক কম।
সম্প্রতি যু’ক্তরাষ্ট্রে ডিভি লটারি এবং গ্রিন কার্ড দেওয়া সংক্রান্ত ভু’য়া ওয়েবসাইটের লিংক সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরছে। যেখানে বিভিন্ন শর্ত সা’পেক্ষে বাংলাদেশিরাও ২০২২ সালে ডিভি লটারিতে যু’ক্তরাষ্ট্র যেতে পারবেন বলে প্রচার করা হচ্ছে। তবে যু’ক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বলছে, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ডিবি লটারি কর্মসূচিতে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।
এই বিষয়ে ঢাকাস্থ মা’র্কিন দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে ই-মেইলে তাঁরা জানান, ভিসা যোগাড় করে দেওয়ার বিষয়ে প্রতারণামূলক সহায়তার প্রস্তাব, ই-মেইল, চিঠি, ওয়েবসাইট, ফোন কল, এসএমএস এবং পত্রিকায় ছাপা বিজ্ঞাপনের বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে প্রতারণামূলক এসব লিংকের ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরাম’র্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিভি লটারির লো’ভে পড়ে কেউ এসব ফাঁদে পা দিলে নিজের অজান্তেই ডেকে আনতে পারেন সর্বনাশ।
সফটওয়ার বিশেষজ্ঞ হাজবুল আলম জুলিয়েট বাংলাভিশন ডিজিটালকে বলেন, এসব লিংকের ব্যাপারে সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া লো’ভে পড়ে এসব লিংকে ক্লিক করলে বিপদে পড়তে পারেন। ফলে লিংকগুলোতে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকার কথাও বলেন তিনি। ডিভি লটারি’র লিংকের ব্যাপারে ঢাকাস্থ দূতাবাসের সংগে যোগাযোগের পরাম’র্শ দেন তিনি।