সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অবৈধ সম্পদের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

অবৈধ সম্পদের মামলার যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী ফকির জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মানিলন্ডারিংয়ে দায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস কারাভোগ করতে হবে। তার অর্জিত অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুই ধারার সাজা একটির পর একটি চলবে জানিয়ে জাহিদুল ফকির বলেছেন এক্ষেত্রে তাকে (সম্রাট) ২০ বছরের কারাভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করেছেন বিচারক।

সম্রাট পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। দুদকের এ কর্মকর্তাই মামলাটি তদন্ত করেন। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সম্রাট আত্মগোপন করেন।

এরপর ৭ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সেদিন বিকালে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান শেষে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ১১৬০টি ইয়াবা, ১৯ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া এবং ‘নির্যাতন করার’ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পাওয়ার কথা জানানো হয় র‌্যাবের পক্ষ থেকে।

ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ার কারণে সম্রাটকে তাৎক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করা হয়।

পরে ২০২২ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ১১ মের মধ্যে চার মামলায় জামিন পান সম্রাট। কারাগারে যাওয়ার ৩১ মাস পর তার মুক্তি মেলে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছরের ১৭ জুলাই সম্রাটের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

গত ২ ফেব্রুয়ারি মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। অভিযোগপত্রভূক্ত ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনেরই সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।

এরআগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মামলার রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। মামলায় সম্রাট পলাতক রয়েছে। পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেননি এবং যুক্তিতর্ক উপস্থাপনও করতে পারেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: