![]()



আকাশে মেঘ জমলে বা দমকা বাতাস বইলেই ফেঞ্চুগঞ্জ উপজে’লায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস)। দমকা হাওয়া থামা’র পর পাহাড়ি এলাকার ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন পরীক্ষা করার পরই আবার বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হয়। এতে সময় লেগে যায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা।
এ কারণে ব্যাপক ভোগান্তিতে আছেন ৩০ হাজার বিদ্যুতের গ্রাহক। ফেঞ্চুগঞ্জ ১৩২ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র থেকে হাঁটুভাঙা পাহাড়ি এলাকার ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন যাওয়ায় দমকা হাওয়া বইতে শুরু
করলেই ফেঞ্চুগঞ্জের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয় পবিস। ফের বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে অনেক সময় লেগে যায়।
ঝড়ে সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ আবার চালু করতে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। পবিস সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু অবস্থায় গাছের ডালপালা সঞ্চালন লাইনের সংস্প’র্শে এলে লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পবিসের ফেঞ্চুগঞ্জ জোনাল কার্যালয় সূত্র জানায়, মে মাসের শুরু থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিন ফেঞ্চুগঞ্জের ওপর দিয়ে ঝড়, বজ্রপাত ও দমকা
হাওয়া বয়ে গেছে। ফেঞ্চুগঞ্জ উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) রাখী আহমেদ বলেন, পাহাড়ি এলাকার ভেতর ১১ হাজার কেভি প্রধান বিদ্যুৎ লাইন থাকায় এসব সমস্যা হচ্ছে।
সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ফেঞ্চুগঞ্জ জোনাল কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক সনৎ কুমা’র ঘোষ বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের পবিস সব সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে। ঝড়বৃষ্টির সময় বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় লাইন চালু করতে একটু বেশি সময় লেগে যায়। গ্রাহকদের একটু ধৈর্য ধারণ করতে হবে।