![]()



ব্যয়বহুল মা’দক ‘আইস’। ইয়াবার চেয়েও ভ’য়াবহ এটি। এই মা’দক থাইল্যান্ড থেকে মিয়ানমা’র হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। জ’ব্দ করা হয়েছে মা’দকগুলো। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (৪ মা’র্চ) বিকেলে সেগুনবাগিচায় মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আহসানুল জব্বার।
টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন জাদিমুড়া এলাকার একটি বাড়িতে অ’ভিযান চালিয়ে দুই কেজি ওজনের এই চালানটি জ’ব্দ করা হয়।
চালানটি থাইল্যান্ড থেকে মিয়ানমা’র হয়ে বাংলাদেশে আসে। এটির গন্তব্য কোথায় ছিল তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি ত’দন্তসা’পেক্ষে জানা যাবে।
মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বলছে, চালানটি ধরতে প্রায় ছয় মাস ধরে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হয়। অবশেষে বুধবার (৪ মা’র্চ) আইসের চালানটি জ’ব্দসহ মো. আব্দুল্লাহ (৩১) নামে একজনকে গ্রে’প্তার করা হয়।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এটাই আইসের জ’ব্দকৃত সবচেয়ে বড় চালান। আব্দুল্লাহকে গ্রে’প্তার করা হলেও মা’দকে সংশ্লিষ্টতায় তার আরেক ভাই রহমান পলাতক।
এর আগে ২০১৯ সালে ঢাকার ভাটারা থা’না এলাকা থেকে ৫২০ গ্রাম ওজনের একটি চালান জ’ব্দ করা হয়েছিল।
এটি ধনী শ্রেণির মা’দক উল্লেখ করে ডিজি বলেন, ইয়াবার চেয়েও ভ’য়াবহ নতুন মা’দক ক্রিস্টার মেথামফিটামিন বা আইস। এটি প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী। নাক দিয়ে, ধোঁয়া বা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। এটি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হওয়ায় সাধারণত ধনি শ্রেণিরাই এর ক্রেতা।
বাংলাদেশে এখনো এই মা’দকের ভোক্তার সন্ধান পাওয়া যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, এর আগে দেশে কয়েকবার এর বাজার সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। তবে মা’দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অ’ভিযানে সেই চেষ্টা নস্যাৎ হয়।