![]()


সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দিনে আধিপত্যবাদী চক্রের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রত্যয় নিয়ে সিপাহি-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। ৭ নভেম্বরের চেতনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে সংসদ কার্যকর করার মাধ্যমে দেশকে গণতন্ত্র ও অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে।
রোববার বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ক্লাবের আমীনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পাশাপাশি বহির্বিশ্বে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে সক্ষম হন।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর ৭ নভেম্বরের ইতিহাস চাপা পড়ে ছিল। এখন এসব ইতিহাস সামনে নিয়ে আসতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম এ ইতিহাস থেকে উজ্জীবিত হতে পারে।
সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি মুকতাবিস উন-নূরের সভাপতিত্বে এবং সহসাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি এম এ হান্নান, সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বদর ও আবদুল কাদের তাপাদার, দৈনিক সিলেট মিরর-এর প্রধান সম্পাদক জিয়াউস শামস শাহীন, ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ফয়সাল আমীন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ কবীর আহমদ সোহেল, সিনিয়র সদস্য এম এ মতিন, সেলিম আউয়াল, মুহিত চৌধুরী ও সাকিব আহমদ মিটু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সদস্য মো. দুলাল হোসেন, শেখ আব্দুল মজিদ, একে কাওছার, মো. তাজুল ইসলাম এবং সহযোগী সদস্য এম এ ওয়াহিদ চৌধুরী প্রমুখ।
সভা শুরুর আগে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন প্রেসক্লাবের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক শুয়াইবুল ইসলাম।-বিজ্ঞপ্তি