![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
উপজেলা প্রশাসন দোহারের নিজস্ব তত্বাবধানে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে পরিচালিত হচ্ছে ‘চরকুসুমহাটি আলোরধারা প্রাথমিক বিদ্যালয়’। এই বিদ্যালয়ে দুই শতাধিক ছিন্নমূল শিশু পড়াশোনা করছে। স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকদের দাবি স্কুলটি দ্রুত সরকারিকরণ করা হোক।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, স্কুলটি রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দেওয়া হয়েছে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে।
ঢাকা জেলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা দোহার। এই উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত চরকুসুমহাটি আলোরধারা প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। স্কুলে ৬ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষার্থী সব সমাজে সুবিধাবঞ্চিত।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: মাঈদুল ইসলাম বলেন, আমাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে স্কুলটি পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষকদের বেতনভাতা উপজেলা প্রশাসন থেকেই নির্বাহ করা হয়। যেহেতু স্কুলের বাচ্চাদের বেতন দেওয়ার সক্ষমতা নেই।
ইউএনও বলেন, কিছুদিন আগে আমি নিজস্ব তত্ত্বাবধানে স্কুলের পাঠদানের অনুমতি নিয়েছি। স্কুলের রেজিষ্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দিয়েছি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে। স্কুলটি সরকারিকরণ করা হলে এই এলাকার মানুষ উপকৃত হবে। স্কুলটি সকলের সহযোগিতা নিয়ে পরিচালিত হলে ভবিষ্যতে শিক্ষার উন্নয়ন করা সহজ হবে।
জানা যায়, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যালয় বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। বাচ্চাদের পুষ্টিমান সম্পর্কে অবহিত করতে ফল উৎসব ও সিদ্ধ ডিম খাওয়ার আয়োজন করা হয়।
স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের দাবি স্কুলটি জরুরি ভিত্তিতে সরকারিকরণ করা হোক।