সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দেশে জ্বালানি তেল মজুদ ‘এক মাসের মত’ আছে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

দেশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের জ্বালানি ‘এক মাসের মত’ মজুদ থাকার তথ্য দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তবে কোন ধরনের তেল কী পরিমাণে রয়েছে সেই তথ্য তার কাছে এখন নেই বলে জানিয়েছেন।

বুধবার (২৫ মার্চ) ইরান যুদ্ধের জেরে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ সভা শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমাদের এর আগে জেনারেলি ১৫ দিনের একটা মজুদ থাকত। তো এখন পর্যন্ত মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে। এবং যেগুলো ‘প্যানিক বায়িং’ হচ্ছে অনেকটা, প্যানিক বায়িং বা ইচ্ছে করেই করতেছে কিনা- এগুলো অতিরিক্ত কিনলেতো নষ্টই হবে মনে হয় তেলগুলো। তো এগুলো হচ্ছে কিছু। এটা হয়তো কয়দিন পরেই কেটে যাবে। মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরত আসলে। সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আগামীতে এই মজুদ আরো বড় করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে আমাদের জ্বালানি… (পর্যাপ্ত মজুদ থাকে)। আমাদের মূলত ধাক্কা আসে জ্বালানির ক্ষেত্রে, সারের ক্ষেত্রে যুদ্ধ হলে। জ্বালানির ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থাগুলো নেওয়া হচ্ছে।

সেক্ষেত্রে এ মুহূর্তে কতদিনের জ্বালানি তেল রয়েছে এবং কোন তেলের কতদিন এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখন এক মাসের মতো জ্বালানি আছে। সব তেলেরই আছে। একটা প্রপোরশন করে আছে। আমার কাছে হিসাব চাবেন না। আমি দিতে পারব না।

এদিনের সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি পরিস্থিতি ‘রিভিউ করেছেন’ বলে তার ভাষ্য।

জ্বালানি নিয়ে বিশেষ সভার বাইরেও এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়।

সেখানে রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত অর্থ আইন, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে পাঁচ অধ্যাদেশ জারি করেছিল সেগুলো আইন হিসেবে উপস্থাপনের জন্য নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন মিলেছে বলে তিনি তুলে ধরেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই পাঁচটা আইন অর্থ্যাৎ যে ১৩৩টি অধ্যাদেশ আগের মন্ত্রিসভায় এসেছিল, পাস হয়েছিল তার মধ্যে এই পাঁচটি আইন মোটামুটি একটা ডিসিশন হল যে আইনে পরিণত হবে। তার জন্য অন্যান্য যে প্রসিডিউরগুলো আছে সেগুলো করা হবে। পরবর্তীতে পার্লামেন্টে উত্থাপন হবে-সেগুলোকে আইনে রূপ দিতে।

এর মধ্যে চলতি অর্থবছরের অর্থ অধ্যাদেশ যা বাজেটের সময় হয়েছে সেটি; অর্থ আইনের পরে যে সংশোধন হয়েছিল ওই অধ্যাদেশ, গত অর্থবছরের মাঝপথে এসে হঠাৎ করে যেসব পণ্যে ওপর ভ্যাট বসায় অন্তর্বর্তী সরকার ওই মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন); একই সময়ে বিভিন্ন পণ্যে আবগারি শুল্ক বসানো অধ্যাদেশ এবং অর্থ অধ্যাদেশের দ্বিতীয় সংশোধনও আইন হিসেবে গ্রহণের অনুমোদন মেলে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: