সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আদালতে জবানবন্দি দিল বিমানের সাবেক এমডির বাসার সেই গৃহকর্মী

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

বিমান বাংলাদেশ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সদ্য সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমানের বাসার সেই শিশু গৃহকর্মী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

শিশুটিকে নির্যাতনের অভিযোগে ১ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে উত্তরার বাসা থেকে সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোবেল মিয়া আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার এ তথ্য দিয়েছেন।

এরপর শিশু ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়ার আদালতে বাবার জিম্মায় নেওয়ার বিষয়ে শুনানির জন্য নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে শিশুটির পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ফাহমিদা আক্তার রিংকি বলেন, অসুস্থ থাকায় তাকে আবার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সুস্থতা সাপেক্ষে জিম্মার বিষয়ে শুনানি হবে।

শিশুটিকে নির্যাতনের ঘটনায় তার হোটেল কর্মচারী বাবা গোলাম মোস্তফা রোববার সাফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রী বিথী, বাসার দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগমের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছে।

মামলায় বলা হয়, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরে সাফিকুর রহমানের বাসা। ওই বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর বাচ্চা দেখাশোনার জন্য অল্প বয়সী মেয়ে খুঁজছিলেন। পরে গোলাম মোস্তফার সঙ্গে তার দেখা হয়।

মেয়ের বিয়েসহ যাবতীয় খরচ বহন করার প্রতিশ্রুতি পেয়ে মোস্তফা গত বছরের জুন মাসে তার মেয়েকে ওই বাসায় কাজে পাঠান। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় গিয়ে মেয়েকে দেখে আসেন তিনি।

এরপর আর মেয়েটিকে পরিবারের সঙ্গে ‘দেখা করতে দেওয়া হয়নি’ বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

সেখানে বলা হয়, ৩১ জানুয়ারি বীথি ফোন করে মোস্তফাকে জানান, তার মেয়ে অসুস্থ। তাকে যেন নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মেয়েকে আনতে যান গোলাম মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোলাম মোস্তফার কাছে মেয়েটিকে বুঝিয়ে দেন বীথি।

মোস্তফা মামলায় বলেছেন, তখনই তিনি মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম দেখতে পান। তার মেয়ে ভালোভাবে কথাও বলতে পারছিল না। কারণ জিজ্ঞাসা করলে বীথি এর ‘সদুত্তর দিতে পারেননি’।

পরে মেয়েকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান মোস্তফা। মেয়ে তাকে বলে, ওই বাসায় বিভিন্ন সময়ে তার ওপর নির্যাতন করা হত। তাকে ‘মারধর করার পাশাপাশি খুন্তি গরম করে শরীরে ছেঁকাও’ দেওয়া হত।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সাফিকুর রহমানের নিয়োগ বাতিল করে সরকার। তিনিসহ চার আসামির জামিন শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: