![]()


ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::
রংপুর সদর ও বদরগঞ্জ উপজেলায় ‘রেকটিফাইড স্পিরিট’ পান করে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১২ জানুয়ারি) রাতে বদরগঞ্জ উপজেলার কিশমত বসন্তপুর নয়াপাড়া গ্রামে দুইজন এবং সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নে একজন মারা যান বলে জানান সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।
নিহতরা হলেন- উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল (৩০) এবং ওই ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর (৪০) হোসেন।
অপরজন সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নের শ্যামপুর শাপাড়ন এলাকার সাইদার রহমানের ছেলে দ্বীনদার রহমান (৪১)।
বদরগঞ্জ থানার ওসি হাসান জাহিদ সরকার বলেন, রোববার বিকালে নয়াপাড়া গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে জয়নুল আবেদিনের কাছ থেকে সোহেল ও আলমগীর রেকটিফাইড স্পিরিট কিনে পান করেন। রাতে বাড়িতে তাদের মৃত্যু হয়। তবে সোমবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়।
গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আলম বলেন, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রেকটিফাইড স্পিরিট বিক্রি হচ্ছে। বিষয়টি পুলিশসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল। মাদকের কারবার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
ওসি হাসান জাহিদ সরকার বলেন, এ ঘটনায় জয়নুল আবেদিনকে আটক করা হয়েছে। তিনি মাদকের কারবার করতের বলে সত্যতা পাওয়া গেছে।
রংপুর সদর কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুল গফুর বলেন, সদরের চন্দনপাট ইউনিয়নের শ্যামপুর শাপাড়ন এলাকার রহমান বাড়িতে বসে রেকটিফাইড স্পিরিট পান করেন। পরে রাতে বাড়িতে মারা যান তিনি।
খবর পেয়ে সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি।