![]()


স্টাফ রিপোর্টার :
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবুধাবি থেকে আসা সেই যাত্রীর পরনের কাপড় (স্বর্ণের জ্যাকেট-আন্ডারওয়্যার) পুড়িয়ে আরো ৫২৯ গ্রাম সোনা পাওয়া গেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মো. সরোয়ার হোসেন (২৭) নামের ওই যাত্রীর কাছ থেকে দুটি সোনার বার ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
ওইদিন গভীর রাত পর্যন্ত উদ্ধারপ্রক্রিয়া শেষে ওই যাত্রীর কাছ থেকে মোট ৮৬৩ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার বিমানবন্দর কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল জলিল বাদী হয়ে এসএমপি’র এয়ারপোর্ট থানায় মামলা করেন। পরে আটককৃত সরোয়ার হোসেনকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মাঈনুল জাকির বলেন, শুক্রবার সকালেই মামলাটি রেকর্ড করা হয়। অভিযুক্ত যুবককে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে আবুধাবি থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ সরাসরি ফ্লাইটে ওসমানী বিমানবন্দরে আসেন সরোয়ার হোসেন। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায়। ফ্লাইট পৌঁছানোর প্রায় এক ঘণ্টা পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তল্লাশি চালিয়ে সরোয়ার হোসেনের কাছ থেকে দুটি সোনার বার ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে। বার দুটির ওজন ২৩৪ গ্রাম এবং অলংকারের ওজন ১০০ গ্রাম। এরপর ওই যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কাস্টমসের কর্মকর্তারা। তার বিভিন্ন সামগ্রী এবং পরিহিত কাপড় যন্ত্রের মাধ্যমে স্ক্যান করেও কিছু পাওয়া যাচ্ছিল না।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই যাত্রী স্বীকার করেন আবুধাবিতে উড়োজাহাজে ওঠার আগে আন্ডারওয়্যার ও জ্যাকেট পরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তার আন্ডারওয়্যার ও জ্যাকেট গলানো অবস্থায় সোনার উপস্থিতি টের পায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। যদিও সেগুলো বিমানবন্দরে স্থাপিত স্ক্যানারে কোনো ধাতব বস্তুর উপস্থিতি পায়নি। পরে সেগুলো জিন্দাবাজারস্থ কাস্টমস কার্যালয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পোড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে রাতে ওই যাত্রীর কাপড়গুলো পুড়িয়ে সেখান থেকে আরো ৫২৯ গ্রাম সোনা পাওয়া যায়। এনিয়ে ওই যাত্রীর কাছ থেকে ৮৬৩ গ্রাম সোনা পাওয়া গেছে।