সর্বশেষ আপডেট : ১৩ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

তেমুখি-বাদাঘাট সড়কের খাল উদ্ধার অভিযান শুরু, জনমনে স্বস্তি

সিলেট শহরতলির তেমুখি-বাদাঘাট সড়কের পার্শ্ববর্তী এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও সরকারি খাল উদ্ধারে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে সড়ক জনপথ বিভাগ ও সিলেট সিটি করপোরেশন।

সোমবার (২৩ মে) থেকে এ অভিযান শুরু হয়। আজ মঙ্গলবারও এ অভিযান পরিচালিত হয়। তেমুখি থেকে বাদাঘাট পর্যন্ত এ অভিযান পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সড়কের খাল উদ্ধার অভিযানের ফলে এলাকার সর্বস্তরের জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গত কয়েক বছর ধরে বর্ষা মৌসুম আসামাত্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় কুমারগাঁও, নাজিরেরগাঁও, খালিগাঁও, মইয়ারচর, নোয়া খুররমখলা, সোনাতলা, নলকট এলাকায়। যে কারণে গত দুই বছর ধরে জলাবদ্ধতার কবল থেকে মুক্তি চেয়ে আন্দোলন করে আসছেন এসব এলাকার মানুষেরা। মূলত খাল দখল করে ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কারণে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ হয়ে যায়।

যার কারণে মানুষের ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানিতে সয়লাব হয়ে পড়ে। নানা ভোগান্তির পাশাপাশি দেখা দেয় নানা রোগবালাই। এ নিয়ে সিলেট-১ আসনের সাংসদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্তাদের শরনাপন্ন হন। সম্প্রতি বন্যা পরিদর্শনে আসলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানান এলাকাবাসী।

তিনি ব্যবস্থা গ্রহণের আশ^াস দিয়েও এলাকাবাসীকেও সচেতন ও সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহŸান জানান। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে খাল উদ্ধারসহ সরকারি জমি চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয় সোমবার থেকে। আজ মঙ্গলবার নোয়াখুররম এলাকায় সার্ভেয়ারদের মাপঝোক করে সীমানা নির্ধারণ করতে দেখা গেছে। বুধবারও সেই কাজ অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় বাসিন্দা সাংবাদিক মকসুদ আহমদ মকসুদ জানান- একসময় তেমুখি থেকে বাদাঘাট পর্যন্ত বিশাল খাল ছিলো। কালের বিবর্তনে রাস্তার দুপাশে মানুষজন খাল ভরাট করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কারণে পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথ রুদ্ধ হয়েছে। যার কারণে ওই রাস্তার দুইপাশে কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় চরম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে বসতবাড়ী ডুবে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দুর্বিসহ হয়ে ওঠেছে। তা থেকে পরিত্রাণের জন্য ওই রাস্তার দু’পাশের খাল উদ্ধার এবং পানি চলাচলের পথ খুলে দেওয়া এলাকাবাসীর এখন প্রধান দাবিতে পরিণত হয়েছে।

সিলেট সিটি করপোরেশন ও সওজের চলতি অভিযানকে আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানাই। একই সঙ্গে পানি চলাচলের চলমান প্রক্রিয়াকে দ্রæততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে তিনি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জোর দাবি জানান। এছাড়া তিনি এ উদ্যোগের জন্য সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, সিলেট সিটি করপোরেশন ও সড়ক জনপথ বিভাগের সংশ্লিদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সড়ক জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান- আমরা সরকারি ভূমি চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করেছি। পর্যায়ক্রমে আমরা বাকি কাজগুলোও সম্পন্ন করবো। তেমুখি-বাদাঘাট, বিমানবন্দর চারলেন প্রকল্পের বিষয়ে তিনি জানান, টেন্ডার অনুমোদন হয়ে গেছে। কিছু জায়গায় ভূমি অধিগ্রহণ করা লাগতে পারে। আমরা সেই কাজগুলোও দ্রæত সম্পন্ন করে ফোরলেন প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: