![]()

আবহাওয়ার অস্থির রূপ সিলেটে। কখনো বৃষ্টি, কখনো রোদ। তার প্রভাবে ভালো নেই সিলেটিদের দেহ গড়ি। উঠা নামা করছে নানা অ’প্রত্যাশিত রূপে। এরমধ্যে ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে সিলেটে। কোন কোন এলাকায় জ্বরের উপসর্গ নিয়ে মা’রা যাচ্ছে মানুষ। চারদিকে জ্বরের এতো বেশি প্রকোপ বাড়লেও অনেকেই মনে করছেন বৃষ্টি ও রোদের কারণে আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে জ্বর হচ্ছে।
কিন্তু স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে চলছে করো’নার ডেল্টা ভেরিয়েন্ট। আবহাওয়ার অজুহাত না দেখিয়ে এখনই জ্বর নিয়ে মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। করাতে হবে নমুনা পরীক্ষা। সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,প্রায় প্রতিটি বাড়িতে জ্বর ও কাশি ছোবল মা’রছে। এর মধ্যে শি’শু ও বৃদ্ধদের সংখ্যা বেশি। আশ’ঙ্কাজনক হারে জ্বরের রোগী বেড়ে যাওয়ায় জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে করো’নাভীতিও। করো’না আ’ক্রান্তের ভ’য়ে অনেকে ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বাড়িতে গো’পনে নিজের মতো করে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সিলেট শহর ও কয়েকটি উপজে’লার ওষুধের দোকানদারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনে সর্দি, জ্বর, কাশি, শ্বা’সক’ষ্ট ও গলা ব্যথার ওষুধ বিক্রি হয়েছে স্বাভাবিকের চাইতে কয়েক গুন বেশি। এসব রোগের ওষুধ সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। এদিকে সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় জ্বরের তীব্র প্রকোপ দেখা দিলেও অনেকেই করো’না ভাই’রাসের নমুনা পরীক্ষা করাচ্ছেন না। তাদের মতে জ্বর একটি স্বাভাবিক অ’সুখ। ফার্মেসি থেকে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ কিংবা এন্টিবায়োটিক সেবন করছেন তারা। জ্বর নিয়ে অনেকেই মা’রাও যাচ্ছেন।
সিলেটে জ্বরের প্রকোপ প্রসঙ্গে জে’লার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত বলেন, হাসপাতা’লে অনেক জ্বরের রোগী আম’রা পাচ্ছি। যেহেতু করো’নার মহামা’রি চলছে সুতরাং অবশ্যই করো’না পরীক্ষা করানো উচিত। করো’না পরীক্ষার সহ’জতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পেতে দেরী হওয়া এখন আম’রা এন্টিজেন টেস্ট শুরু করেছি। যাতে ফলাফল দ্রুত পাওয়া যায়।