![]()


জৈন্তাপুরে চট্রগ্রামের এক ব্যবসায়ীর ৬০ লক্ষ্য টাকার সুপারী ছিনতাই। ট্রাকের ড্রাইভা’র ও চো’রাকারবারী সিন্ডিকে’টের মাধ্যমে বিত্রিু হওয়া সুপারীগুলো উপজে’লার বিভিন্ন স্থান থেকে অ’ভিযান চালিয়ে উ’দ্ধার করেছে জৈন্তাপুর মডেল থা’না পু’লিশ। এ ঘটনায় স’ন্দেহভাজন ৪ জনকে আ’ট’ক করা হয়েছে এবং উ’দ্ধারকৃত সুপারীগুলো সিএমপির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
৮ জুলাই চট্রগ্রামের খাতুনগঞ্জ থেকে আব্দুল ওহাব লিটন নামের এক ব্যবসায়ীর ২শ বস্তা সুপারী নিয়ে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে একটি ট্রাক (যার নং ঢাকা মেট্রো ট-২০-৯৬৭০। মূলত সুপারী পরিবহনের জন্য নাছির এন্টারপ্রাইজ এই গাড়িটি ভাড়া করা হয়। সুপারীগুলো খালাস হওয়ার কথা সিলেট শহরের কাজিরবাজরের ফয়সাল ট্রের্ডি এ। কিন্তু গাড়ি চালকের কূ-মতলব থাকায় কাজিরবাজারের পরিবর্তে সুপারীবর্তী গাড়ি নিয়ে চলে যায় জৈন্তাপুর উপজে’লায়। সেখানকার চো’রাকারবারীদের সাথে চলে দফরফা। এক পর্যায় স্বল্প মূল্যে ভাগবাটোয়ারা করে কিনে নেয় চো’রাকারবারী সিন্ডিকেট।
একটি সূত্রে জানা যায়, জৈন্তাপুর উপজে’লার চো’রাকারবারী দরবস্ত ইউনিয়নের কূড়গ্রামের শাহীন আহম’দ ও নিজপাট ইউনিয়নের সিদ্দিক আহম’দ যোগসাজে ট্রাক ড্রাইভা’র সুপারীগুলো দরবস্ত ইউনিয়নের মানিক পাড়া নামক স্থানে নিয়ে এসে একটি চো’রাকারবারী সিন্ডিকে’টের কাছে ১৫ লক্ষ্য টাকা মূল্যে বিত্রিু করে পালিয়ে যায়। ৯ জুলাই পর্যন্ত চট্রোগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা গাড়ি সিলেটের কাজির বাজার আড়ৎ এ না পৌছায় এবং গাড়ি চালকের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় নাছির এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধীকারী আব্দুল ওহাব লিটন বাদী হয়ে চট্রোগ্রাম (সিএমপি) কোথোয়ালী থা’নায় একটি অ’ভিযোগ দাখিল করেন। এরই প্রেক্ষিতে পু’লিশ মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে প্রথমে ট্রাকের সন্ধান পাওয়া যায় মৌলভিবাজার জে’লার কুলাউড়া উপজে’লায়। পরবর্তীতে জৈন্তাপুর মডেল থা’নার সার্বিক সহযোগিতায় এবং চট্রগ্রাম সিএমপির কোথোয়ালী থা’নার প্রতিনিধি সহ অ’ভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন স্থান থেকে ১৮৩ বস্তা সুপারী উ’দ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৫৪ লক্ষ্য টাকা। এ ঘটনায় জ’ড়িত স’ন্দেহে ৪ জনকে আ’ট’ক করা হয়েছে এবং ৫ জনের নাম উল্লেখ করে সুপারীর মালিক বাদী হয়ে মা’মলা করেছেন। আ’ট’ককৃতরা হলো ফয়সল আহম’দ, নজরুল ইলসলাম, আজিজুল হক, টুটুল।
এব্যাপারে জৈন্তাপুর মডেল থা’নার অফিসার ইনচার্জ গো’লাম দস্তগীর আহম’দ’র সাথে আলাপকালে তিনি জানান, আম’রা প্রথমে চট্রগ্রামের কোথোয়ালী থা’না থেকে সুপারী ছিনতাইয়ের এই ম্যাসেজ পাই। আর ছিনতাইয়ের ঘটনাস্থল জৈন্তাপুর হওয়ায় আম’রা বিভিন্নভাবে খোজ খবর নিয়ে ছিনতাইকারীদের মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে অ’ভিযান শুরু করি। প্রায় ৪ দিন অ’ভিযান করে জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজে’লার বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ১৮৩ বস্তা সুপারী উ’দ্ধার করে সিএমপি পু’লিশের প্রতিনিধি দলের হাতে হস্তান্তর করি।