![]()



সৌদি আরব, আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসীদের নিয়ে আসা বিদেশি চকলেট ও বাদামের প্যাকেট থেকে ফেলে দেয়া হয় খাবারগুলো। এরপর সেই প্যাকে টে ‘বিশেষ কায়দায়’ ঢোকানো হয় ইয়াবা। পরে গামের মাধ্যমে বাইরে থেকে প্যাকেটগুলা এমনভাবে সীল করা হয় যে দেখলে বোঝাই যাবেনা এর ভেতর ইয়াবা।— কোতোয়ালী থা নায় এক মা দক ব্যবসায়ীকে গ্রে প্তারের পর উঠে এসেছে ইয়াবা পাচারের এমনই চাঞ্চল্যকর কৌশলের তথ্য।
সোমবার (২ মা র্চ) রাতে মধুবন মিষ্টির দোকানের সামনে থেকে ১৭ হাজার ইয়াবাসহ ওই যুবককে গ্রে প্তার করে পু লিশ।
ইমতিয়াজ ইকরাম কাঞ্চন নামে ওই ইয়াবা ব্যবসায়ী কক্সবাজার জে লার হলদিয়া ইউনিয়নের মোস্তফা কা মালের পুত্র।
পু লিশ জানায়, মা দক পাচারে এখন সম্পূর্ণ নতুন কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন মা দক ব্যবসায়ীরা। মধ্যপ্রাচ্যে থেকে প্রবাসীরা আসার সময় যে চকোলেট বা বাদামগুলো আনেন সেইগুলো থেকে খাবার ফেলে তার মধ্যে ইয়াবা ঢোকানো হয়। বিশেষ একটি গাম দিয়ে বাইরে থেকে এমনভাবে সিল করে দেয়া হয় যে বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই ভেতরে আছে ইয়াবা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালী থা নার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নেজাম উদ্দীন বিডি২৪লাইভকে বলেন, ‘আজ (সোমবার) রাতে গো পন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী মোড়ের মধুবন মিষ্টির দোকানের সামনে থেকে ইমতিয়াজ ইকরাম কাঞ্চনকে আ ট ক করা হয়। পরে তার ট্রাভেল ব্যাগ তল্লা শি করে বিদেশি চকলেট ও বাদামের প্যাকে টে থাকা ১৭ হাজার ইয়াবা উ দ্ধার করা হয়।’
ওসি জানান, জিজ্ঞাবাদে গ্রে প্তার কাঞ্চন জানিয়েছে সে এর আগে চারবার একইভাবে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম থেকে বিমানযোগে ইয়াবা পাচার করেছে।
এ ঘটনায় তার বি রুদ্ধে মা দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মা মলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।