সর্বশেষ আপডেট : ৫১ মিনিট ২৮ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ঢামেকের জরুরি বিভাগে কে চিকিৎসক, কে দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের কারও নির্দিষ্ট পোশাক (ড্রেসকোড) নেই। ফলে কে চিকিৎসক, কে নার্স আর কে দালাল, তা বোঝা মুশকিল বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় কয়েকটি কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের উপস্থিত না পেয়ে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এখানকার রোগীদের সব সময় অভিযোগ থাকে, তারা ঠিকমতো চিকিৎসা পান না, চিকিৎসকেরা হাসপাতালে থাকেন না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও উদ্বিগ্ন। এ কারণে তিনি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। আজ আমরা ঢাকা মেডিকেলে এসেছি। এরপর অন্যান্য হাসপাতালেও যাব।

তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলে এসে জরুরি বিভাগের কয়েকটি রুমে চিকিৎসকদের পাইনি। এই বিভাগের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের কারও ড্রেসআপ নেই। তারা চিকিৎসক, নার্স নাকি দালাল, তা বোঝা মুশকিল। এ কারণে চিকিৎসকদের শনাক্ত করতে পারছি না। তারা সেবা দিচ্ছেন কি না, সেটাও জানি না।

পরিদর্শনের এসে যা দেখেছেন, তার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, এখন বাজে সোয়া ১২টা। চিকিৎসকদের কেউ বলছেন বাইরে গেছেন, কেউ বলছেন চা খেতে গেছেন। অন্যদিকে রোগীরা চিকিৎসার জিনিসপত্র খুঁজতে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। এতে আসলে জনগণ ঠিকমতো সেবা পাচ্ছেন না।

হাসপাতাল পরিদর্শনে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি, চিকিৎসাকক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ বেশ কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, হাসপাতাল পরিচালককে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে বলা হয়েছে। দুদকও এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

সরকারি হাসপাতালে দালালের দৌরাত্ম্য এবং চিকিৎসকদের একাংশের বিরুদ্ধে দালালির মাধ্যমে রোগীদের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নেব।

তবে বেসরকারি হাসপাতালের ব্যবসা বন্ধের বিষয়টি দুদকের এখতিয়ারভুক্ত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন বলেন, আমি হাসপাতালে নতুন এসেছি। আসার পর কিছু পরিবর্তন করতে পেরেছি। দুদক চেয়ারম্যান যে বিষয়গুলো বলেছেন, আমরা সেগুলো সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেব। হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: